স্মরণিকা সায়েন্স-টেক রিভিউ

  Logo: “Either be a Scientist or be a Science Minded”.   

  লগো হয়তো বিজ্ঞানী, নয়তো হই বিজ্ঞান মনস্ক।                       

স্মরণিকা

সায়েন্স-টেক রিভিউ

THE SCIENCE-TECH REVIEW

২০০৫, উত্তর মোগলটুলী বাই লেইন,

পশ্চিম মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম-৪১০০

(বিজ্ঞান মনস্ক দেশ-জাতি বিনির্মাণে একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস)

                                                                                                           বিজ্ঞান কি এবং কেন?

Science is a systematic initiative that builds and organizes specialized knowledge in the form of theoretical formulas in the form of nature-based experiments, surveys, observations and reviewable interpretations of the universe, including the Earth.

 অর্থাৎ বিজ্ঞান এমন একটি পদ্ধতিগত উদ্যোগ- যা  পৃথিবীসহ মহাবিশ্ব সম্পর্কে প্রকৃতিভিত্তিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, সমীক্ষা, পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনাযোগ্য, অনুসিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত ইত্যাদির তাত্ত্বিক সূত্রাকারে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সংক্রান্ত বিশেষ জ্ঞান তৈরি এবং সংগঠিত করে তোলে।

 “বিজ্ঞান শব্দটি ইংরেজি “Science” শব্দের বঙ্গানুবাদScience শব্দটির বুৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ “Scientia” থেকে, যার অর্থ জ্ঞান। বাংলায় বিজ্ঞান শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় বি(শেষ)+জ্ঞান=বিজ্ঞান।

 বস্তুত: ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণালব্ধ জ্ঞানই হচ্ছে বিজ্ঞান

আধুনিক বিজ্ঞানকে সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়: ১. প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, যা প্রাকৃতিক ঘটনাবলি ব্যাখ্যা প্রদান করে। ২. সামাজিক বিজ্ঞান , যা মানবিক আচরণ ও সমাজের অধ্যয়ন করে। ৩. সাধারণ/বিধিবদ্ধ বিজ্ঞান যা বিজ্ঞানের আদি মৌলিক বিষয় যেমন যুক্তি, গণিত ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।[২০][১৮] বর্তমানে স্বীকৃত কোন বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তবিক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে তাকে ফলিত বিজ্ঞান বা প্রায়োগিগ বিজ্ঞান বলে[২১][২২][২৩][২৪][২৫] যেমন প্রকৌশলবিদ্যা এবং চিকিৎসাশাস্ত্র।

জীববিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞানরসায়নসহ এ ধরনের সকল বিজ্ঞান প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে মানুষের আচার-ব্যবহার এবং সমাজ নিয়ে যে বিজ্ঞান তা সমাজ বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।

বিজ্ঞানের শর্তাবলীঃ কোন বিষয় বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে।

 

বিজ্ঞানী কারা?

জড়-প্রাণী নির্বিশেষে প্রকৃতির ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার ফলে কোন বিষয়ে প্রাপ্ত ব্যাপক ও বিশেষ জ্ঞানের সাথে জড়িত ব্যক্তি বিজ্ঞানীবিজ্ঞানবিদ কিংবা বৈজ্ঞানিক নামে পরিচিত হয়ে থাকেন।

বিজ্ঞানীরা বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে জ্ঞান অর্জন করেন এবং প্রকৃতি ও সমাজের নানা মৌলিক বিধি ও সাধারণ সত্য আবিষ্কারের চেষ্টা করেন।[২] 

বিজ্ঞানী হওয়ার শর্তাবলীঃ

যে গবেষকই পরীক্ষণটি করুন না কেন ফলাফল একই হতে হবে। অর্থাৎ ব্যক্তি চেতনা অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষণের ফলাফল কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না।

গবেষণা

বিজ্ঞান এক বা একাধিক বিজ্ঞানীর গবেষণার উপর নির্ভর করে। গবেষণাগুলো সাধারণত বিজ্ঞানীদের দ্বারা শিক্ষাক্ষেত্রে এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং কোম্পানিভিত্তিক উদ্যোগে করা হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণার বাস্তবিক প্রভাব বৈজ্ঞানিক নীতি গ্রহনে বাধ্য করেছে। বৈজ্ঞানিক নীতি দ্বারা বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রভাবিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনসার্থে ব্যবহৃত পন্য, স্বাস্থ্যসেবা, জন কাঠামো, পরিবেশের সুরক্ষা এবং অস্ত্র তৈরির মত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে নীতিমালা অনুসরন করানো হয়।

গণিতকে অনেকেই আলাদা একটি শ্রেণি হিসেবে দেখেন। অর্থাৎ তাদের মতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানসামাজিক বিজ্ঞান আর গণিত এই তিনটি শ্রেণি মিলে বিজ্ঞান। ঐ দৃষ্টিকোণে গণিত হলো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞান আর প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞান হলো পরীক্ষণমূলক বিজ্ঞান।

গুরুত্ব

গবেষণা  (Researchহল মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের নেশায় বিজ্ঞানীদের কার্যাবলী। যিনি গবেষণা করেন বা গবেষণা কর্মের সাথে জড়িততিনি গবেষক বা গবেষণাকারী (Researcher) নামে পরিচিত।

সুনির্দিষ্ট প্রজেক্ট (প্রকল্প) বা উদ্দেশ্যের আওতায় প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক তত্বতথ্যউপাত্ত এবং আনুষঙ্গিক বৈজ্ঞানিক সাজ-সরন্জাম বা প্রযুক্তি সংগ্রহ করতঃ  এতদ্বিষয়ে নিরলস  পরীক্ষা-নিরীক্ষাসমীক্ষাপর্যালোচনাপর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিবিড় তথ্য বিশ্লেষণ ও সূত্র উদ্ভাবন করতঃ উদ্ভাবিত সূত্রমতে গবেষণা সম্পকির্ত গৃহীত অনুসিদ্ধান্তও সিদ্ধান্ত এবং চূড়ান্ত   ফলাফল গ্রহণ উপস্থাপন এবং প্রাসঙ্গিক আলোচনা সন্নিবেশিত করা হয়। গবেষণার প্রধান ধাপসমূহ হচ্ছে:

গবেষণার বিষয়বস্তুলক্ষ্য ও উদ্দেশ্য চিহ্নিতকরণ

● প্রাসঙ্গিক গবেষণা ও তথ্য পর্যালোচনা

গবেষণার সমস্যা নির্দিষ্টকরণ

● অনুমিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও গবেষণার প্রশ্ন নির্দিষ্টকরণ

 তথ্যসংগ্রহবিশ্লেষণ                                                                                        

প্রাথমিক ও চূড়ান্ত গবেষণা প্রতিবেদন তৈরিকরণ।

প্রযুক্তির সংজ্ঞা

Technology is the sum of any techniques, skills, methods, and processes used in the production of goods or services or in the accomplishment of objectives, such as scientific investigation. Wikipedia

বিজ্ঞানের আবিষ্কারকে মানুষের প্রায়োগিক কাজে লাগানোর উপায়কে প্রযুক্তি বলে।

https://ansbd.org/15317/

প্রযুক্তি হল জ্ঞানযন্ত্র এবং তন্ত্রের ব্যবহার কৌশল যা আমরা আমাদের জীবন সহজ করার স্বার্থে ব্যবহার করছি।প্রযুক্তির সংজ্ঞায় বলা যায়, "প্রযুক্তি হল কিছু প্রায়োগিক কৌশল যা মানুষ তার প্রতিবেশের উন্নয়নকার্যে ব্যবহার করে।" যেকোন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান সম্বন্ধে জ্ঞান এবং তা দক্ষভাবে ব্যবহারের ক্ষমতারকেও প্রযুক্তি বলা হয়।

প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করে সমস্ত মেশিন, সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি এবং যোগাযোগ ও পরিবহনের ডিভাইস ও দক্ষতা যা আমরা তৈরি  এবং ব্যবহার করি (১৯৩৭ সালে মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী রেড বাইন প্রদত্ত প্রযুক্তির সংজ্ঞা) 

   প্রযুক্তি হল শিল্প ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার যা প্রয়োজনীয় জিনিস আবিষ্কার ও সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়এবং মেশিন বা সরঞ্জাম হল প্রযুক্তির তৈরি ফলাফল(মেরিয়ামিয়াম-ওয়েস্টার লার্নার্স ডিকশনারি)

এটি হলো আমরা চারপাশের কাজ কিভাবে করি তার কৌশল (উরসুলা ফ্রাঙ্কলিন কর্তৃক ১৯৮৯ সালে  রিয়েল ওয়ার্ল্ড অফ টেকনোলজিলেকচারে প্রদত্ত সংজ্ঞা)

প্রযুক্তি এমন একটি পদ্ধতি-  যা মানুষের উদ্দেশ্য পূরণ করে (ডব্লিউ ব্রায়ান আর্থার)

 

প্রযুক্তিশব্দটির ব্যবহার গত ২০০ বছরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর আগে এই শব্দটি কখনো কখনো ম্যাসাচুসেট্স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এর কৌশলগত বিদ্যাকে বোঝানো হতো

প্রযুক্তিশব্দটি প্রাধান্য পায় ইউরোপ কেন্দ্রিক দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের পর। বস্তুতঃ এই শব্দটির অর্থ বিংশ শতাব্দীতে পরিবর্তিত হয় যখন থর্স্টেইন ভেবলেন থেকে শুরু করে আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানীরা জার্মান Technik থেকে প্রযুক্তি’ এর অনুবাদ করা শুরু করেন। জার্মান ও ইউরোপীয় ভাষায় technik এবং technologie দুটি শব্দ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ইংরেজিতে এ  দুটিকেই একই অর্থে ‘Technology’ তে অনুবাদ করা হয়েছে।

বিস্তৃত পরিসরে ব্যাপক অর্থে প্রযুক্তি হল যন্ত্র ও সরঞ্জাম যা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সুদূরপ্রসারি ধারণা যা সরল যন্ত্র যেমন চামচ থেকে শুরু করে অনেক জটিল যন্ত্র যেমন মহাশূন্য স্টেশন ইত্যাদি-কে অন্তর্ভুক্ত করে। যন্ত্র ও সরঞ্জাম কেবল বস্তুই হতে হবে তা নয় যেমন কম্পিউটার সফটওয়্যার  ব্যবসার পদ্ধতি এগুলো প্রযুক্তির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।[১১] 

https://bn.wikipedia.org/wiki/প্রযুক্তি

বিজ্ঞানের সেরা প্রযুক্তি কম্পিউটার  আবিস্কারের জন্মকথা 

সিপিইউ হলো computer system unit এর মধ্যে বিদ্যমান সিলিকন বিশেষ। যার মাধ্যমে computerএর সমস্ত কার্যকলাপ হয়ে থাকে। অভ্যন্তরীণ স্মৃতি এবং গাণিতিক যুক্তির অংশসহ বিশাল দায়িত্ব পালন করে সিপিইউ। আমাদের সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে মস্তিস্ক যেমন গুরুত্বপূর্ণ CPU কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ঠিক তেমন গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়ার উপাদান। আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটারের CPU এর অন্যতম দিক হলো এতে মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহারের সুযোগ বিদ্যমান । তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং প্র্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সবই সম্পন্ন করে CPU যার প্রধান অংশঃ

ক. A.L.U= Arithmatic Logical Unit. এর দ্বারা কম্পিউটার সব ধরণের গাণিতিক সমস্যার সমাধান দেয়।

খ. C.U. =Control Unit. প্রাপ্ত নির্দেশ নির্দিষ্ট অংশ প্রেরিত হয়ে এর মাধ্যমে ফলাফল মনিটরে প্রতিফলিত হয় এবং নির্দেশক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পায়। 

গ্রীক compute শব্দ থেকে Computer কথাটির উৎপত্তি যার অর্থ গণনাযন্ত্র। বর্তমানে computer দিয়ে ১)গাণিতিক ২) যৌক্তিক (লজিক) সিদ্ধান্তমূলক ডাটা প্রেরণ (Data input) করলে সেটা প্রক্রিয়াকরণ (processing) হওয়ার পর ফলাফল (output) পাওয়া যায়।

 Computer এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

 গণনাযন্ত্র হিসাবে সর্বপ্রথম চীনে আবিস্কৃত হয় অ্যাবাকাস নামক এক যন্ত্র। Abacas a wooden frame with halls strung on paralled wires. এটি হলো সর্বপ্রথম অংক ভিত্তিক গণনা যন্ত্র। (সূত্রঃ আইটি সাপোর্ট সিস্টেম-১, (বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিতডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স২য় সেমিস্টার২০১৯)পৃঃ ০১

এর পর পরই অ্যাবাকাসের কাছাকাছি একটি গণনাযন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয় জাপানে যার নাম সরোবান ( Soroban)  সরোবান খৃষ্টপূর্ব ৫০০ শতাব্দীর সময়কার গণনাযন্ত্র। এটি যোগ-বিয়োগ করতে সক্ষম। 

লগারিদম

১৬১৭ সালে জন নেপিয়ার তৈরি করেন লগারিদম। এর মধ্যে মোট ৯টি সারিতে নাম্বারকে আড়াআড়িভাবে করে সাজানো হয়। এটিকে নেপিয়ার বোনসও বলা হয়। এটি গুণ ও  ভাগ করতে সক্ষম। এটি ১৭ শতাব্দী থেকে শুরু করে ১৯ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত বলবৎ ছিল।

ডিফারেন্স ইন্জিন

১৮১২ সালে বৃটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ আবিস্কার করেন ডিফারেন্স ইন্জিন।

অ্যানালিটিক্যাল ইন্জিন

মূলতঃ ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজই অ্যানালিটিক্যাল ইন্জিন উদ্ভাবন করেন। এটি সম্পূর্ণ অটোমেটিক ও সব ধরণের গাণিতিক কাজে সক্ষম। এটি প্রোগ্রাম ( Programme) সংরক্ষণ করতে পারতো এবং ইনস্ট্রাকশন (Instruction)  মেনে চলতে পারতো। অ্যানালিটিক্যাল ইন্জিনে সর্বপ্রথম বাইনারি কোড (Binary Code System) অর্থাৎ শুন্য (০) এবং এক (১) এর ব্যবহার শুরু হয়। (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ১৭)

লেডি অ্যাড অগাস্টাঃ পৃথিবীর প্রথম প্রোগ্রামার

কবি লর্ড বেয়ন এর মেয়ে লেডি অ্যাডা অগাস্টা বেয়ন ১৮৪৩ সালে বাইনারি ইনস্ট্রাকশনের সূচনা করেন। তাই পৃথিবীর প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয় লেডি অ্যাডা অগাস্টা বেয়ন-কে। (প্রাগুক্ত পৃঃ ১৭)

 হলারিথ মেশিন ( Hollerith Machine)

১৮৯০ সালে আবিস্কৃত হয় প্রথম বিদ্যুৎ চালিত মেশিন হলারিথ । আবিস্কারক হারম্যান হলারিথ। এটি ডাটা রেকর্ডিংটেক্সট (পাঠ্যক্রম) পড়তে পারতো। এর অপর নাম টেবুলেটিং মেশিন (পৃঃ ১৮)

বেল-১

১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত Computer Company IBM. এই কোম্পানি যে যন্ত্র তৈরি করে তার নাম Bell-1. এটি একটি Mechanical Complex Calculator.

হার্ভার্ড ইউনিভাসিটি

১৯৩০ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির হাওয়ার্ড একিন (Howard Aiken)  IBM (International Business Machine) যৌথভাবে প্রথম Electrical Computer আবিস্কার করেন। এটির নাম Mark-1. এটি ৫১ ফুট লম্বা এবং ৮ ফুট উঁচু ছিল। ওজন ছিল ৫ (পাঁচ) টন। যন্ত্রাংশ সংযোগ দিতে ৫০০ (পাঁচশত) মাইল লম্বা তারের প্রয়োজন হতো। এটি এখনো প্রথম Computer স্মারক (স্মৃতি) হিসাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।  (পৃঃ ১৯)

উন্নত কম্পিউটার

১৯৩৭ সালে ডাঃ জন অ্যাটানাসোফ এবং জন বেরি একত্রে Computer-কে উন্নত করেন। তাঁদের Computer এর নাম ছিল ABC (Atanasoff Berry Computer).

 Computer এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন

প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে Computer সিন্ধু থেকে ক্রমশঃ বিন্দুতে পরিণত হতে চলেছে। যার ফলে এখন পকেট Computer সময়ের ব্যাপার মাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। Computer এর প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধাপ বা স্তকে বলা হয় প্রজন্ম (Generation) ধাপগুলি নিম্নরূপঃ

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারঃ ১৯৪০ সাল হতে ১৯৫৬ সাল পর্যন্তঃ হাজার হাজার ডায়োড ভাল্ভরেজিস্টারক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি। এতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো যা কয়েকটি ঘর জুড়ে বিস্তৃত হতো। বিশাল আয়তন বিশিষ্ট প্রথম প্রজন্মের Computer চালু অবস্থায় ভীষণ গরম হয়ে যেতো। তাই যাতে পুড়ে না যায় সে জন্য মাঝে মাঝে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা হতো। এটি সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন। পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হতো প্রচুর বিদ্যুৎ শক্তি।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারঃ ১৯৫৭ সাল হতে ১৯৬৩ সাল পর্যন্তঃএতে ট্রানজিস্টার ব্যবহৃত হতো যা Computer-এ বিপ্লব সাধন করে। উল্লেখ্য১৯৪৮ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরীতে উইলিয়াম শকলিজন বার্ডিন এবং এইচ ব্রিটেন যৌথভাবে  এ টানজিস্টার তৈরি করেন। এ ট্রানজিস্টার Computer প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেনএটি প্রথম প্রজন্মের Computer থেকে তুলনামূলক অনেক ছোট এবং কম বিদ্যুৎ-তে চালিত।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারঃ ১৯৬৪ সাল হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্তঃ রবার্ট নয়েস ও জ্যাক কিলবি প্রায় একই সময় পৃথকভাবে বড় সার্কিট ক্ষুদ্র করার পদ্ধতি আবিস্কার করেন। এ পদ্ধতিতে প্রাপ্ত ছোট সার্কিটকে IC Integrated বলা হয়। এ প্রজন্মের Computer-এ IC Integrated ব্যবহৃত হওয়ায় এটি দ্বিতীয়  প্রজন্মের Computer থেকে তুলনামূলক অনেক ছোট এবং উৎপাদন ব্যয় অনেক কমে যায়। এতে প্রথমবারের মত প্রিন্টার ব্যবহার শুরু হয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারঃ ১৯৭১ সাল হতে অদ্যাবধি (২০১৯) সাল পর্যন্তঃ ১৯৭১ সাল থেকে ৪র্থ প্রজন্ম শুরু হয়। LSI (Large Scale Integration)  VLSI (Very Large Scale Integration) এবং Semi Conductor Memory দিয়ে এ প্রজন্মের Computer তৈরি। VLSI দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতির এই কম্পিউটার-কে বলা হয় মাইক্রো কম্পিউটার। আমেরিকার জন ব্লাংকার বেকার ১৯৭১ সালে কেনব্যাক (Kenbak) নামক প্রথম মাইক্রো-কম্পিউটার তৈরি করেন। পরে ১৯৭৭ সালে মাইক্রো কম্পিউটার পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করে ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে যখন Computer উৎপাদন শুরু করে।  IBM কোম্পানি কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত Computer আকারে আরও ছোট হয়ে আসে। তবে বেড়ে যায় এর গতি। এতে ROM (Read only Memory), PROM, EPROM প্রভৃতি স্মৃতি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া, Programming Language, DOS, Widows, Unix Operating System এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হতে থাকে। (প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারঃ এটি ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার থকে শক্তিশালী করার কাজে গবেষণা চলছে। এতে Supper VISI (Very Large Scale Integration) Clip এবং Optical Fibar এর সমন্বয়ে এ প্রজন্মের কম্পিউটার তৈরি। এতে অত্যন্ত শক্তিশালী মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রচুর পরিমাণে ডাটা ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন করার গবেষণা চলছে । (পৃঃ ২৫)

যুগভিত্তিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তির প্রকারভেদঃ

যুগ ভিত্তিক বিজ্ঞান মূলতঃ ৩ প্রকার। যথাঃ (ক) প্রাচীন যুগ (খ) মধ্যযুগ এবং (গ) আধুনিক যুগ।

ক) প্রাচীন যুগঃ আর্কিমিডিস, অ্যারিস্টটল, ডেমোক্রিটাস, সক্রেটিস প্রমুখ ছিলেন প্রাচীন যুগীয় ইউরোপীয় বিজ্ঞানী। প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে রয়েছেনঃ

·         আর্যভট্ট

·         ব্রহ্মগুপ্ত

·         মহাবীরাচার্য

·         শ্রীধরাচার্য

·         ভাস্করাচার্য

·         লীলাবতী

তথ্যসূত্র

1.       http://archaeologyonline.net/artifacts/history-mathematics


গণিত: একটি প্রাচীন বিজ্ঞান

গণিতবিজ্ঞান-প্রযুক্তির ফুয়েল (Fuel) বা জ্বালানী

গণিত বিজ্ঞানের ফুয়েল বা জ্বালানী (শেখ মুহাম্মাদ আবু তাহের:গণিত কি এবং কেন?)।

গণিতের সার্বজনীন ভাষা ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা একে অপরের সাথে ধারণার আদান-প্রদান করেন। গণিত তাই বিজ্ঞানের ভাষা। ১৭শ শতক পর্যন্তও কেবল পাটীগণিতবীজগণিত  জ্যামিতিকে গাণিতিক শাস্ত্র হিসেবে গণ্য করা হত। সেসময় গণিত দর্শন ও বিজ্ঞানের চেয়ে কোন পৃথক শাস্ত্র ছিল না। আধুনিক যুগে এসে গণিত বলতে যা বোঝায়তার গোড়াপত্তন করেন প্রাচীন গ্রিকেরাপরে মুসলমান বিজ্ঞানীরা এগুলি সংরক্ষণ করেনঅনেকে গবেষনা করেন এবং খ্রিস্টান পুরোহিতেরা মধ্যযুগে এগুলি ধরে রাখেন। তবে এর সমান্তরালে ভারতে এবং চীন-জাপানেও  গণিত চর্চা হত মধ্যযুগে

 ১৮শ শতকে  আইজাক নিউটন গটফ্রিড লাইবনিৎসের ক্যালকুলাস  এবং অগুস্তঁ লুই কোশি ও তাঁর সমসাময়িক গণিতবিদদের উদ্ভাবিত কঠোর গাণিতিক বিশ্লেষণ পদ্ধতিগুলির উদ্ভাবন গণিতকে একটি এককস্বকী কাঠামোতে পরিণত করে। তবে ১৯শ শতক পর্যন্তও কেবল পদার্থবিজ্ঞানীরসানবিদ ও প্রকৌশলীরাই গণিত ব্যবহার করতেন।

 গণিতবিজ্ঞানের ইতিহাস

গণনায় হাতের আঙ্গুলের ব্যবহার: বিখ্যাত গ্রিক গণিতবিদ পীথাগোরাস (৫৭০-৪৯৫ খ্রিষ্টপূর্ব) গণনা করা ছিল আদিমতম গাণিতিক পদ্ধতিআদিম মানুষেরা পশু ও বাণিজ্যের হিসাব রাখতে গণনা করত। আদিম সংখ্যা ব্যবস্থাগুলি প্রধান উৎস ছিল  এক বা দুই হাতের আঙুল ব্যবহার। বর্তমানের ৫ ও ১০-ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবস্থার বিস্তার এরই সাক্ষ্য দে

পাটিগণিতের সূচনা: মানুষ যখন সংখ্যাগুলিকে বাস্তব বস্তু থেকে পৃথক ধারণা হিসেবে গণ্য করা শিখল এবং যোগবিয়োগুণভাগ- এই চারটি মৌলিক অপারেশন বা প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করলতখনই পাটীগণিতের যাত্রা শুরু হল।

জ্যামিতি: আর জ্যামিতির শুরু হয়েছিল রেখা ও বৃত্তের মত সরল ধারণাগুলি দিয়ে। গণিতের পরবর্তী উন্নতির জন্য চলে যেতে হবে খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দেযখন ব্যাবিলনী ও মিশরী সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিল। (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

                প্রাচীন ব্যাবিলনীয়দের গণিত

ব্যাবিলনিয়ান গণিত সম্পর্কে আমরা জানতে পারি এই সভ্যতার নিদর্শনবাহী কাদামাটির চাঙ থেকেযেগুলির উপর ব্যাবিলনীরা কীলক আকৃতির খোদাই করে করে লিখত। এই লেখাগুলিকে কিউনিফর্ম বলা হয়। সবচেয়ে প্রাচীন চাঙড়গুলি খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ সালের বলে ধারণা করা হখোদাইগুলির বেশির ভাগ গণিতই ছিল বাণিজ্য বিষক। ব্যাবিলনীয়রা অর্থ ও পণ্যদ্রব্য আদানপ্রদানের জন্য পাটীগণিত ও সরল বীজগণিত ব্যবহার করত। রাষ্ট্রধর্মালয় ও জনগণের মধ্যে সম্পদ কীভাবে বন্টিত হবে তা হিসাব করতে পারত। খাল কাটাশস্যাগার নির্মাণ ও অন্যান্য সরকারি কাজকর্মের জন্য পাটীগণিত  জ্যামিতির ব্যবহার হত। শস্য বপন ও ধর্মীয় ঘটনাবলির জন্য পঞ্জিকা নির্ধারণেও গণিতের ব্যবহার ছিল।

ব্যাবিলনীয় সংখ্যা

ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড পদ্ধতির সূচনাঃ বৃত্তকে ৩৬০টি ভাগে বা ডিগ্রীতে বিভক্ত করা এবং প্রতি ডিগ্রী ও মিনিটকে আরও ৬০টি ভাগে বিভক্ত করার রীতি ব্যাবিলনীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে উদ্ভূতব্যাবিলনীরাই একেক দিনকে ২৪ ঘণ্টায়প্রতি ঘন্টাকে ৬০ মিনিট ও প্রতি মিনিটকে ৬০ সেকেন্ডে ভাগ করে। তাদের সংখ্যা ব্যবস্থা ছিল ৬০-ভিত্তিক। ১-কে একটি কীলকাকৃতি খাঁজ দিয়ে নির্দেশ করা হত এবং এটি বারবার লিখে ৯ পর্যন্ত নির্দেশ করা হত। ১১ থেকে ৫৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলি ১ এবং ১০-এর জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন ব্যবহার করে নির্দেশ করা হত। ৬০-এর চেয়ে সংখ্যার জন্য ব্যাবিলনীয়রা একটি স্থাননির্দেশক চিহ্ন ব্যবহার করত। স্থানিক মানের এই ধারণার উদ্ভাবন গণনাকে অনেক এগিয়ে দে। এর ফলে একই প্রতীক বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে একাধিক মান নির্দেশ করা সম্ভব হ। ব্যাবলিনীদের সংখ্যা ব্যবস্থা ভগ্নাংশওনির্দেশ করা যেত। তবে তাদের ব্যবস্থা শূন্য (০-জিরো) ছিল না

প্রাচীন মিশরীয়দের গণিত

গণিত জগতে প্রাচীন ভারত

প্রচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষে, মিশরে, ব্যাবিলনে ও চিনে দশ ধরে গণনা করার পদ্ধতির প্রচলন ছিল। তবে যে সকল সঙ্কেতের সাহায্যে মিশরীয়রা, ব্যাবিলনীয়েরা বা গ্রিকরা সংখ্যা প্রকাশের চেষ্টা করত তাতে শূন্যের কোনো ধারণা ছিল না।

 শূন্য ধরে মাত্র দশটি সঙ্কেতের সাহায্যে হিন্দু পণ্ডিতদের আবিষ্কৃত অঙ্কপাতন পদ্ধতি এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই নিয়ম আবিষ্কৃত হওয়ার ফলেই সংখ্যার ঘরগুলি একক, দশক, শতক, শহস্র ইত্যাদি ভাগে ১০ গুণ করে ভাগ করা হয় (দক্ষিণ থেকে বামে)।

আর্যভটের সময়কালের বহুপূর্বেই সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে হিন্দুরা শূন্যকে সংখ্যা হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ছন্দসূত্রেররচনাকাল খ্রিস্টপূর্ব ২০০। পিঙ্গল কর্তৃক এই রচনায় শূন্যের ব্যবহার দৃষ্ট হয়। আর্যভট কর্তৃক বর্গমূল নির্ণয় পদ্ধতি দশমিক স্থানিক অঙ্কপাতন ও শূন্যের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। বৃহৎসংহিতা ও পঞ্চসিদ্ধান্তিকা প্রভৃতি গ্রন্থে বরাহমিহির (খ্রিস্টাব্দ ৫০৫) বারবার শূন্যের উল্লেখ করেছেন। বরাহমিহিরের সমসাময়িক জিনভদ্রতানির রচনায় শূন্যের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। তিনি তাঁর রচনায় বৃহৎ বৃহৎ সংখ্যা লেখার সময় একাধিক শূন্যের ব্যবহার করেছেন।

বর্তমানে শূন্যের যে প্রতীক ব্যবহৃত হয় প্রথমদিকে তা ছিল না। সে সময় এর প্রতীক ছিল একটি বিন্দু []শূন্যের প্রতীক কবে বিন্দু থেকে ছোট বৃত্তের আকারে উন্নিত হয় তা অনুমানের উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই। নানাঘাটে যে লিপি আবিষ্কৃত হয় তাতে সংখ্যা (দশ, কুড়ি ইত্যাদি) প্রকাশের ক্ষেত্রে শূন্যের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। টলেমি তাঁর অ্যালমাজেষ্টগ্রন্থে শূন্যস্থানের জন্য গ্রিক বর্ণ ওমিক্র্ন’ [০]ব্যবহার করেন।

সপ্তম শতাব্দীতে ভারতে ১, , , ,...০ অঙ্ক সৃষ্ট লিখনপদ্ধতি মধ্যপ্রাচ্যের গণিতবিদ আল খোয়ারিজমি এবং আল কিন্দির হাত ধরে ইউরোপে প্রবেশ করে। ইউরোপে দ্বাদশ শতাব্দী থেকে দশ অঙ্ক নিয়ে গণনা শুরু হয়ে যায়। বিশ্বের মান্য গণিতজ্ঞরা সেই জন্য এগুলিকে হিন্দু-আরাবিক নিউমেরালসবলেছেন। আলবেরুনি ভারত ভ্রমণের সময়ে একেকটি প্রদেশে ১ থেকে ৯ প্ৰদেশভিত্তিক সংখ্যাচিহ্ন ও ০-র লিপির উল্লেখ করেছেন।

প্রাচীন মিশরে শূন্যের বিকাশ

প্রাচীন মিশরীয় সংখ্যাগুলো ছিল দশ ভিত্তিক। তাদের সংখ্যাগুলো স্থানভিত্তিক না হয়ে চিত্র ভিত্তিক ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১৭৪০ সালের দিকে মিশরিয়রা আয়কর (খাজনা-ট্যাক্স ও হিসাবরক্ষণের জন্য শূন্যের ব্যবহার করত। তাদের চিত্রলিপিতে একটি প্রতীক ছিল যাকে "নেফর" বলা হতো, যার অর্থ হল "সুন্দর"। এই প্রতীকটি তারা শূন্য এবং দশকের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করত। প্রাচীন মিশরীয় পিরামিড ও অন্যান্য স্থাপনায় এধরনের সংখ্যার ব্যবহার পাওয়া যায়[


মেসোপটেমীয় সভ্যতায় শূন্যের ব্যবহার

খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাবিলনীয় গণিতবিদরা ছয়ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবস্থার প্রবর্তন ও উন্নয়ন করে। শূন্য সংখ্যাটির অভাব তারা ছয়ভিত্তিক সংখ্যার মধ্যে একটি ঘর খালি  রেখে পূরণ করত। অর্থাৎ এই খালি ঘরটিকে শুন্য বুঝানো হতো। অতঃপর খৃষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দের দিকে দুটি যতিচিহ্ন প্রতীক এই ফাঁকা জায়গা দখল করে নেয়প্রাচীন মেসোপটেমীয় শহর সুমের থেকে প্রাপ্ত এক শিলা লিপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় যে, প্রাচীন লেখক বেল বেন আপ্লু তাঁর লেখায় দুটি যতিচিহ্ন প্রতীক ব্যবহারের বদলে একই "হুক" দিয়ে শূন্যকে প্রকাশ করেছেন।[৭]

তথ্যসূত্র

1.       Russel, Bertrand (১৯৪২) Principles of mathematics (2 সংস্করণ) Forgotten Books পৃষ্ঠা 125 আইএসবিএন 1-4400-5416-9Chapter 14, page 125

2.       Menninger, Karl (১৯৯২) Number words and number symbols: a cultural history of numbers Courier Dover Publications পৃষ্ঠা 401 আইএসবিএন 0-486-27096-3

3.       ""zero, n.". OED Online. December 2011. Oxford University Press. (accessed March 04, 2012)." ডিসেম্বর , ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৩-০৪

4.       "cipher | cypher, n.". OED Online. December 2011. Oxford University Press. (accessed 4 March 2012).

5.       Merriam Webster online Dictionary

6.       George Gheverghese Joseph (২০১১) The Crest of the Peacock: Non-European Roots of Mathematics (Third Edition) Princeton পৃষ্ঠা 86 আইএসবিএন 978-0-691-13526-7

7.       Kaplan, Robert. (2000). The Nothing That Is: A Natural History of Zero. Oxford: Oxford University Press.

মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাস

স্থানভেদে মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান মূলতঃ তিন প্রকার যথাঃ ১. বাগদাদ ভিত্তিক বায়তুল হিকমাহ এবং ২. স্পেনের কর্ডোভার আলহামরা এবং ৩. মিশরের কায়রোভিত্তিক আল আজহার কেন্দ্রিক জ্ঞান-বিজ্ঞান।

১. বাগদাদ ভিত্তিক বায়তুল হিকমাহ

খালিদ আল আরাবয়িা:  রাজত্ব ছেড়ে বিজ্ঞান গবেষণা!

 বাগদাদের খলীফা রসায়ন বিজ্ঞানী খালিদ  রাজত্ব ছেড়ে দিয়ে আজীবন বিজ্ঞান-সাধনায় কাটিয়ে দিয়েছিলেন

 ৬৮৩ খৃস্টাব্দে উমাইয়া খলীফা ২য় মাবিআর মৃত্যুর পর  খালিদ সিংহাসনে আরোহণের পরিবর্তে খালিদ আল আরাবি বিজ্ঞান সাধনায় নিমগ্ন হন। খালিদ সম্পর্কে জানা যায়-তিনি চিকিৎসা ও রসায়নশাস্ত্রে যথেষ্ট বুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন বলে মধ্যযুগীয়  ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের রেনেসোঁর উষালগ্নে তাঁকে আল-হাকিম আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

গ্রীক বিজ্ঞানের প্রতি খালিদের আকর্ষণ আকৃষ্ট হয়। ফলে খালিদ আল আরাবী গ্রীকদের বিজ্ঞান গ্রস্থগুলো  প্রথম আরবী অনুবাদ শুরু করেন। তবে শুধু এই বিজ্ঞান গ্রন্থগুলোর অনুবাদের মধ্যে তাঁর কর্তব্য সীমাবদ্ধ ছিল না।

  খালেদের সায়েন্স ল্যাবরটেরী

 রসায়নবিদ খালিদ নিজস্ব গবেষণাতেও নিমগ্ন ছিলেন। স্বর্ণ প্রস্তুতের ক্ষেত্রে তিনি নাকি পরশ বা  স্পর্শমণি পর্যন্ত আবিস্কারে সফল হয়েছিলেন। এই স্পর্শমণির সাহায্যে স্বর্ণ প্রস্তুত করা যেত। এই স্থপতি বৈজ্ঞানিক ৭০৪ খৃস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন।

 আব্বাসীয় আমলে মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞান র্চচা

 আব্বাসীয় শাসনামলঃ মুসলমানদের জ্ঞান-বিজ্ঞানের র্উবরকাল।

 খলিফা আল মানসুর (শাসনকালঃ৭৫৪-৭৭৫)

 আবু জাফর আবদাল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল মনসুর (৯৫ হিজরী - ১৫৮ হিজরী) (৭১৪ খ্রীষ্টাব্দ ৭৭৫ খ্রীষ্টাব্দ) (আরবি : المنصور أبو جعفر عبدالله بن محمد) ছিলেন দ্বিতীয় আব্বাসীয় খলিফা ১৩৬ হিজরী  থেকে ১৫৮ হিজরী (৭৫৪ খ্রীষ্টাব্দ ৭৭৫ খ্রীষ্টাব্দ) র্পযন্ত তিনি খলিফা পদে আসীন ছিলেন(সূত্রঃ উইকপিডিয়িা)

 উল্লেখ্য, আব্বাসীয় শাসনামলে ঈসাব্দ সপ্তম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত আরবী ভাষা বিশ্ব সভ্যতায় জ্ঞান-বিজ্ঞান বিকাশের একমাত্র অবিসম্বাদিত আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক ভাষার মর্যাদা লাভ করেছিল 

 প্রকৃতপক্ষে খলিফা মনসুরের শাসনামল থেকেই সারাসিন সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিশ্বব্যাপী জয়যাত্রা  শুরু হয়। খলীফা মনসুর (৭৫৪-৭৭৫)-এর রাজদরবার সর্বদা জ্ঞানী-গুণী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকত। তিনিই বাগদাদ নগরীর প্রথম প্রতিষ্ঠাতা। টাইগ্রীস নদীর পশ্চিম তীরে বাগদাদ নামক একটি বড় গ্রামে তিনি রাজধানী স্থাপন করে নাম রাখেন মদীনাতুস সালামকিন্তু মানুষ সরকারী নাম গ্রহণ না করে বাগদাদ গ্রামের নামেই নতুন রাজধানীকে অভিহিত করতে থাকে।

৭৫০ ঈসাব্দে উমাইয়াদের  হটিয়ে আব্বাসীয়রা মুসলমি বিশ্ব শাসন শুরু করে। ৭৬২ সনে খলিফা আল মনসুর (শাসনকাল ৭৫৪-৭৭৫ খ্রষ্টিাব্দ) রাজধানী হিসাবে বাগদাদ নগরী গড়ে তোলেনপূর্বে দামেস্ক মুসলিম বিশ্বের রাজধানী ছিল  এর মধ্যে বিদেশী ভাষার রচনা অনুবাদও অন্তর্ভূক্ত ছিল এ উদ্দেশ্যে আল মনসুর সাসানীয় রাজকীয় গ্রন্থাগারের আদলে একটি প্রাসাদ গ্রন্থাগার গড়ে তোলেন এবং কর্মরত জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদেরকে আর্থিক ও রাজনৈতিক সর্মথন প্রদান করনে। তিনি ভারত ও অন্যান্য স্থান থেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদান-প্রদানের  জন্য জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদেরকে  আব্বাসীয় বাদশাহী দরবারে দাওয়াত করেছিলেন

আব্বাসীয় আমলে গ্রীকচৈনিকসংস্কৃত  সিরিয়াক ভাষা থেকে অসংখ্য গ্রন্থ আরবিতে অনুদিত হয় অনুবাদ কেন্দ্রিক জাগরণ খলিফা হারুনুর রশিদের সময় ব্যাপক আকার লাভ করে। পূর্বসূরির মত তিনিও জ্ঞানচর্চার অনুগামী ছিলেন।[৪] রচনাগুলো মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞানগনিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক  হারুনুর রশিদের গ্রন্থাগার যা বাইতুল হিকমাহের পূর্বসূরি ছিল সেটিও (প্রথম)"বাইতুল হিকমাহ" বলে পরিচিত ছিল।ইতিহাসবিদ আল কিফতি এটির নাম দেন"খিজানাত কুতুবুল হিকমাহ" (আরবিতে অর্থ "জ্ঞানগ্রন্থের ভান্ডার")।

 পাটিগণিতে অবদান

মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি পাটিগণিতেও অসামান্য পারদর্শী ছিলেন। তিনিই প্রথম রোমান সংখ্যা I II III IV V VI VII VIII 1X এবং X স্থলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শূণ্য (0) সহ এরাবিক নামারাল নামক গণিত জগতের নতুন গাণিতিক সংখ্যা 1 2 3 4 5 6 7 8 এবং  9 ব্যবহার শুরু করেনতার মাধ্যমেই ইউরোপ শূণ্যের ব্যবহার শিক্ষা লাভ করে । যার কারণে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমিকে ইউরোপের গণিত শিক্ষক বলা হয় (উইকিপিডিয়া)

জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান

জ্যোতির্বিজ্ঞানেও আল খারিযমি একটি স্মরণীয় নাম, স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব । এ বিজ্ঞানে তিনি বহু মৌলিক অবদান রেখে গেছেনতার রচিত 'নির্ঘণ্টপ্রাচ্যে ও পাশ্চাত্যে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তীতে ইবনে আলী জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর পর্যবেক্ষণ চালান এবং এ বিষয়ে বহু গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। আল ফারাগণী ছিলেন খারিজমিয় যুগের আরেক শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তাঁর রচিত 'জ্যোতির্বিজ্ঞানের সংক্ষিপ্তসার' (Elements of Astronomy) ক্রিমেনার জিয়ার্ড ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন।

পৃথিবীর আকৃতিঃ জ্ঞান-বিজ্ঞানে প্রভাব

খ্রিস্টপূর্ব ৫ ম শতাব্দীতে একটি গোলাকৃতির পৃথিবীর প্রথম দিকের নথিভুক্ত গ্রীকরা করেছিলেন। উল্লেখ্য, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয়রা পৃথিবীকে গোলকের মতো মডেল করেছিলেন। পৃথিবীর গোলাকৃতি কি কমলা লেবুর ন্যায় গোল না পিরিচের মত গোলাকার? এ নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে ভূগোলবিদদের। ইউরোপীয়দের মতে, পৃথিবী চায়ের পিরিচের ন্যায় গোলাকার। পক্ষান্তরে মুসলিম ভূগোলবিদদের মতে, কমলা লেবুর ন্যায় গোলাকার। উভয়ের পৃথিবী সম্পর্কিত ভিন্নমত নৌ-বাণিজ্যে তৎকালীন ব্যাপক প্রভাব রেখেছিল যা নিম্নরূপঃ

পৃথিবী চায়ের পিরিচের ন্যায় গোলাকার-এ ধারণার বশবর্তী হয়ে ইউরোপীয় বণিকরা প্রশান্ত-অআটল্যান্টিক প্রভৃতি মহাসাগর পাড়ি দিতে শংকিত ছিলেন এই কারণে যে, মহাসাগরে  নৌযান পৃথিবীর প্রান্তসীমা অতিক্রম করে মহাশুন্যে গিয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে প্রাচীন ভারতীয়দের তৃতীয় মত ছিল যে, যেহেতু সাগর দেবতাতুল্য। দেবতার বুকচিরে সাগর পাড়ি দেয়া ধর্মবিরুদ্ধ। পক্ষান্তরে অআরব ভূগোলবিদদের বিশ্বাস, পৃথিবী কমলালেবুর ন্যায় গোলাকার বিধায় মহাসাগরে  নৌযান পৃথিবীর প্রান্তসীমা অতিক্রম করে মহাশুন্যে পড়ার সম্ভাবনা নেই-তাই তাঁদের পক্ষে অপরাপর জাতি-ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় সমুদ্রে দাপিয়ে চলা কিংবা চুটিয়ে নৌ বাণিজ্য মধ্যযুগে সম্ভবপর হয়েছিল। সম্ভব হয়েছিল জ্ঞান-বিজ্ঞান অর্জনের জন্য আরব সাগর পাড়ি দিয়ে ভারত মহাসাগর হয়ে বঙ্গোপসাগর, চীন সাগর পাড়ি দেয়া। আব্বাসীয় শাসনামলে দলে দলে ইবনে বতুতা, অআলবেরুনীর মত আরব বিজ্ঞানীরা নৌপথে ভারত উপমহাদেশে এসেছিলেন।

তা দেখে পরবর্তীতে খৃষ্টান বিশ্বাসে পরিবর্তন অআসে এবং কলম্বাস, ভাস্কোদাগামার মত খ্রিষ্টান নাবিকদের উত্থান ঘটে-যারা দুই দুইটি মহাদেশঃ ১. উত্তরঅআমেরিকা ২. দক্ষিণ আমেরিকার মত বিশাল মহাদেশ আবিস্কারের নেপথ্য নায়ক।

আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি

আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি (Abū ʿAbdallāh Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī; ফার্সি উচ্চারণ: খাওয়ারেজমি) (৭৮০-৮৫০) মধ্যযুগীয় মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। তিনি ছিলেন একাধারে গণিতজ্ঞভূগোলবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। (উইকিপিডিয়া)।আনুমানিক ৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। আল খারিজমি খলিফা আল মামুনের বায়তুল হিকমাহ সংলগ্ন গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিকের চাকুরি করতেন। খলিফা মামুনের মৃত্যুর পর পরবর্তী খলিফা আল ওয়াতহিকের (Al Wathiq) শাসনকালের সাথেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। বাগদাদের খলিফা আল মামুনের মৃত্যুর ১৪ বছর পর (আনুমানিক ৮৫০ খ্রীষ্টাব্দে) আল খারিজমির মৃত্যু হয়

আবু অআবদুল্লাহ খাওয়ারিজমি পাটিগণিতবীজগণিতভূগোল এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে প্রভূত অবদান রাখেন। তবে মূলত বীজগণিতের জন্যই তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন।
এজন্যই তাকে বীজগণিতের জনক বলা হয়।

বীজগণিতে আরবীয় ভূমিকাঃ 

বীজগণিতে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি আল কুতরুবুল্লী অবদান

বীজগণিত হল ইসলামী সভ্যতায় মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি আল কুতরুবুল্লীর সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান। শুন্যের মতই এই গণিতও বিশ্বে খুব ম্রিয়মান অবস্থায় ছিল। বীজগণিতকে আল-খারিজমিই প্রথম গণিত জগতে বিশেষ তাৎপর্যসম্পন্ন বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন যেমন এরাবিক নামারালের মাধ্যমে অনেকটা ব্যবহারবিহীন অবস্থা থেকে শুন্য রাতারাতি গণিতের দশক, শতক, হাজার, অযুত, লক্ষ, কোটির অংকে পৌঁছে কম্পিউটারের বাইনারী কোডের (১ ও ০) গুরুত্বপূর্ণ কোডের (০) মাধ্যমে পৃথিবী রীতিমত এনালগ থেকে ডিজিটালে  পরিণত হয়েছে তেমনি বীজগণিতও প্রথমবারের বিশ্বের লাইমলাইটে গণিত জগতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে। ফলে ভারতীয় গণিতবিদরা বীজগণিতে উৎসাহিত হন এবং প্রথমবারের মত বীজগণিত নিয়ে গবেষণা শুরু করেন অপরদিকে গ্রিকদের মধ্যে কেবল ডায়োফ্যান্টাস-কে নবোদ্ভাবিত বীজগণিতের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করেছিল বলে জানা যায় তিনি ব্যতীত আর কাউকে বীজগণিত নিয়ে খুব একটা চিন্তাভাবনা করতে দেখা যায়নি। আল-খারিজমি বীজগণিতের ভিত্তি স্থাপন করে আধুনিক গণিতের পথকে অনেকটাই কুসুমাস্তীর্ণ করে তোলার কারণে তাঁকে গণিতের বিশেষ করে বীজগণিতের অন্যতম জনক হিসাবে বিবেচনা করা হয়[১৮][১৯] উল্লেখ্য, আল-খারিজমি রচিত পুস্তক কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবলা” হতে বীজগণিতের ইংরাজী নাম আলজেবরা” (Algebra) শব্দটি উৎপত্তি লাভ করে। (উইকিপিডিয়া)

কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবলা”-তে আল-খারেজমি রৈখিক এবং দ্বিঘাত সমীকরণ এর প্রথম পদ্ধতিগত সমাধান উপস্থাপন করেন। বীজগণিতে তার প্রধান সাফল্য ছিল বর্গের সাহায্যে দ্বিঘাত সমীকরণের জ্যামিতিক প্রমাণসহ সমাধান।[৪] সর্বপ্রথম তিনিই বীজগণিতকে স্বাধীন শাখা হিসেবে তুলে ধরেন এবং সমীকরণ সমাধানের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেনতাই খোয়ারিজমিকে বীজগণিতের জনক[৫][৬] বা প্রতিষ্ঠাতা[৭][৮] বলা হয়। আলজেবরা (বীজগণিত) শব্দটিই এসেছে তার আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বই এর শিরোনাম থেকে। তার নামটি guarismo (স্পেনীয়)[৯] এবং algarismo (পর্তুগিজদুইটিরই একক উৎস এবং অভিন্ন অর্থ: অঙ্ক। উল্লেখ্য, ১১৪৫ সালে রবার্ট অব চেস্টার কর্তৃক অনুবাদকৃত আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বইটি ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণিতের প্রধান বই হিসেবে পড়ানো হত। [১১][১২][১৩][১৪] (উইকিপিডিয়া)।

উসমানীয় যুগঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
 ঐতিহাসিক ভবিষ্যৎবাণী
পবিত্র হাদীসে বর্ণিত কুসতুনতিনিয়াতা এর পশ্চিমা নাম কনস্টান্টিনোপল  (গ্রিকΆλωση της ΚωνσταντινούποληςAlōsē tēs Kōnstantinoupolēsতুর্কী ভাষায়İstanbul'un Fethiহযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর  কুসতুনতিনিয়াতা অর্থাৎ কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের ভবিষ্যৎবাণী আল্লাহপাকের অশেষ মেহেরবাণীতে ১৪৫৩ ঈসাব্দে উসমানীয়  সাম্রাজ্যের সুলতান দ্বিতী মুহাম্মদ কর্তৃক শহরটি অধিকারের মাধ্যমে সত্যে পরিণত হয়েছিল লহামদুলিল্লাহ। পূর্বে এটি পূর্ব রোমান (বাইজেন্টাইন) সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। শহর অধিকারের পূর্বে এটি জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১৪৫৩ ঈসাব্দের ৬ এপ্রিল থেকে ২৯ মে পর্যন্ত অবরোধের সম্মুখীন হয়। এরপর চূড়ান্তভাবে শহরটি উসমানীদের অধিকারে আসে। তারও পুর্বে মহান সেলযুক সুলতান আল্প আরসালান ও শহরটি জ করেছিলেন কিন্তু এর দখল ধরে রাখতে পারেননি।

ইতিহাসে কনস্টান্টিনোপলে বিজকে ১৫০০ বছরের মত টিকে থাকা রোমান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।[২৮] উসমানীদের এই বিজয়ের ফলে উসমানী সেনাদের সামনে ইউরোপে অগ্রসর হওয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকল না। খ্রিষ্টানজগতে এই পতন ছিল বিরাট ধাক্কার মত। বিজয়ের পর সুলতান মুহাম্মদ তার রাজধানী এড্রিনোপল থেকে সরিয়ে কনস্টান্টিনোপলে নিয়ে আসেন। বেশ কিছু ইতিহাসবিদ কনস্টান্টিনোপলের বিজয় ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পতনকে মধ্য যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখেন।[২৯
প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের সুপ্রসিদ্ধ শহর কনস্টান্টিনোপল যা মুসলমানদের নিকট কুসতুনতিনিয়া ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত এটি উসমানীয় তুর্কি  কর্তৃক করায়ত্ত হলে  তুর্কি খেলাফতের রাজধানী হিসেবে ইসলামের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু অআলাইহি ওয়াসাল্লাম এই শহর মুসলমানদের করায়ত্ত্ব হওয়ার ব্যাপারে একবার সাহাবায়ে কেরামের সামনে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন :
লাতাফতাহুন্নাল কুসতুনতিনিয়াতাফালা নেমাল আমীরূ আমীরূহা ওয়ালানেমা জাকাল জাইশু। অর্থাৎ নিশ্চিতরূপে তোমরা কুসতুনতিনিয়া জয় করবে। সুতরাং তার শাসক কতই না উত্তম হবে এবং তার জয় লাভকারী সৈন্যরাও কতই না উত্তম হবে! (মুসনাদে আহমদ)।

উপরোক্ত ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপ্রেক্ষিতে তাই এটি বিজয়ের জন্য মুসলমানগণ অত্যন্ত আগ্রহী ও উৎসাহী ছিলেন।
বিখ্যাত সাহাবী হযরত আবু আইউব আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন তাঁদেরই একজন। হিজরী ৫১ সালে কুসতুনতিনিয়ায় প্রথম অভিযানকালে হযরত আবু আইউব আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করলে সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়।


শহরটি সময়ে সময়ে মুসলমান কর্তৃক অবরোধ করা সম্ভব হলেও তুর্কি খেলাফতের আগে তা কখনও জয় করা সম্ভব হয়নি। উসমানীয় তুর্কি সুলতান ওরখান (১৩২৬-১৩৫৯)-এর আমলে পূর্ব ইউরোপে তুর্কি অভিযানের একপর্যায়ে  তুর্কিদের ইতিহাসে এক নব অধ্যায়ের সূচনা হয়।
ওরখানের ৩৩ বছরব্যাপী শাসনামলে বাইজান্টাইনি এলাকা অধিকার ছাড়াও তুর্কি রাজ্যগুলো উসমানীয় সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। যার ফলশ্রুতিতে প্রথম বাইজিদ ইলদ্রিম (১৩৮৯-১৪০২)-এর আমলে প্রথমে কুসতুনতিনিয়া অবরোধ করা হয়। কিন্তু কিছু দিন পর দশ বছরের সন্ধির মাধ্যমে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এই সময় কুসতুনতিনিয়ায় একটি ইসলামী আদালত কায়েম করা হয়যাতে একজন তুর্কি কাজী (বিচারক) নিয়োগ করা হয় এবং সেখানে একটি বিশাল মসজিদ নির্মাণ করা হয়। ১৩৯৭ সালে বাইজিদ কর্তৃক গ্রিক অধিকার করার পর পুনরায় কুসতুনতিনিয়া অবরোধ করেন ।
কিন্তু তৈমুরলঙ্গের সাথে সংঘর্ষের ফলে এই অবরোধও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়ে যায় । অতঃপর ১৪২২ সালে দ্বিতীয় মুরাদ কুসতুনতিনিয়ায় ব্যর্থ অবরোধ করেন। এরপর 
দ্বিতীয় মোহাম্মদ ফাতেহ (১৪৫১-১৪৮১) কুসতুনতিনিয়া বিজয়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন এবং ১৪৫৩ সালের ৬ এপ্রিল অবরোধ করেন এবং মে মাসে শহরের পতন ঘটার মাধ্যমে অবশেষে আল্লাহতায়ালার অশেষ মেহেরবাণীতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যতবাণী মোতাবেক শহরটি তুর্কিদের অধিকারে আসে। ।
কুসতুনতিনিয়ায় অভিযান চালাতে গিয়ে মুসলমানগণ বারবার প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং সফল হতে পারেননি। কিন্তু তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মোহাম্মদ ফাতেহর সৌভাগ্য যেতিনি সর্বপ্রথম এই শহর জয় করে মুসলিম গৌরবের এক নয়া অধ্যায় সূচনা করেন এবং মহানবী সা:-এর ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবায়ন করে বেহেশতের সুসংবাদ প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হন (সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজীম)
উসমানীয় সাম্রাজ্য (উসমানীয় তুর্কি: دَوْلَتِ عَلِيّهٔ عُثمَانِیّهDevlet-i Aliyye-i Osmâniyye,আধুনিক তুর্কি: Osmanlı İmparatorluğu বা Osmanlı Devleti), ঐতিহাসিকভাবে তুর্কি সাম্রাজ্য বা তুরস্ক বলে পরিচিতএটি ছিল একটি ইসলামি সাম্রাজ্য। ১২৯৯ সালে তুর্কি বংশোদ্ভূত প্রথম উসমান উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার দায়িত্ব পান 

 প্রথম মুরাদ কর্তৃক বলকান জয়ের মাধ্যমে উসমানীয় সাম্রাজ্য ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয় অতঃপর ১৫২৬ সালে হাঙ্গেরি জয়ের পর ইউরোপের বলকান অঞ্চল সমূহ  ১৬শ ও ১৭শ শতাব্দীতে বিশেষত সুলতান প্রথম সুলাইমানের সময় দক্ষিণপূর্ব ইউরোপউত্তরে রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরপশ্চিম এশিয়াককেসাসউত্তর আফ্রিকা ও হর্ন অব আফ্রিকা জুড়ে মধ্যপ্রাচ্য ও আরব অঞ্চলসহ বিস্তৃত একটি শক্তিশালী বহুজাতিকবহুভাষিক উসমানীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত ছিল। এভাবে উসমানীয় সাম্রাজ্য সুদীর্ঘ ছয়শত বছরেরও বেশী ধরে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছিল। তবে দীর্ঘদিনব্যাপী ইউরোপীয়দের তুলনায় সামরিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে। ধারাবাহিক অবনতির ফলে সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে। মহান আল্লাহতায়ালার অপার মেহেরবাণীতে বর্তমানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের নেতৃত্বে তুরস্ক ডি-এইটের মাধ্যমে আবারও হারানো ঐতিহ্যে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সফলতা অর্জন করেছে বলা যায়।
ইস্তাম্বুল টেকনিকাল ইউনিভার্সিটি
উসমানীয় শাসনামলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক সংস্কার সাধন করা হয়। এজন্য ইস্তাম্বুল টেকনিকাল ইউনিভার্সিটির মত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়[৫৭] ১৭৩৪ সালে পাশ্চাত্য গোলন্দাজ কৌশলের সাথে পাল্লা দেয়ার জন্য আর্টিলারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়।[৫৮] ১৭২৬ সালে ইবরাহিম মুতেফেরিকা উজিরে আজম নেভশেহিরলি দামাত ইবরাহিম পাশাউজিরে আজম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদেরকে ছাপাখানার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে সক্ষম হন এবং সুলতান তৃতীয় আহামাদ বই ছাপানোর অনুমতি দেন।[৫৯] ১৭২৯ সালে মুতেফেরিকার প্রেস প্রথম বই প্রকাশ করে এবং ১৭৪৩ সাল নাগাদ ২৩ খন্ডে ১৭টি রচনা প্রকাশ করেন যার প্রত্যেক খন্ডের ৫০০ থেকে ১০০০ এর মত কপি ছিল।[৫৯][৬০]
আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে তুর্কি মুসলমানদের
যে কারণটি উদ্বুদ্ধ করেছিল
১৭৬৮ সালে রুশ সমর্থিত ইউক্রেনিয়ান সেনারা উসমানীয়দের নিয়ন্ত্রিত বাল্টায় প্রবেশ করে এবং এখানকার নাগরিকদের উপর গণহত্যা চালায় ও শহরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনা প্রচন্ডভাবে উসমানীয়দের প্রভাবিত করে। ১৭৭৪ সালে কুচুকের সন্ধিতে এই যুদ্ধ সমাপ্ত হয়[৬১] ১৮শ শতাব্দীর শেষ নাগাদ রাশিয়ার সাথে কয়েকটি লড়াইয়ে পরাজয়ের ফলে কারো কারো মনে এ ধারণা জন্মায়, যে প্রযুক্তি রুশদের শক্তিশালী করেছে এবং উসমানীয়দেরও ভবিষ্যত পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পাশ্চাত্য প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে।[৫৮]
তুর্কি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম উসমান(অটোমান)
সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম উসমানের নাম থেকে উসমানীয় বা অটোমান নামটি এসেছে। একইভাবে রাজবংশকে উসমানীয় রাজবংশ বা অটোমান রাজবংশ বলা হয়। তুর্কি ভাষায় সাম্রাজ্যকে বলা হত দেভলেতি আলিয়া উসমানিয়া বা উসমানলি দেভলেতি[১৫] বলা হত। আধুনিক তুর্কি ভাষায় উসমানলি ইম্পারাতুরলুগু বা উসমানলি দেভলেতি বলা হয়
পাশ্চাত্যে "উসমানীয় সাম্রাজ্য" ও "টার্কি" তথা তুরস্ক নাম দুইটির একটি অন্যটির বদলে ব্যবহার হত।
উসমানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে উসমানীয়রা বড় আকারের জ্ঞান-বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে সক্ষম হয় ফলে ১৫শ শতাব্দিতে জ্ঞান-বিজ্ঞান বিষয়ক স্থানীয় ও বিদেশি পান্ডুলিপির জন্য আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ উসমানীয় শিক্ষাকেন্দ্রে ব্যবহারের জন্য ট্রেবিজনের গ্রিক বিজ্ঞ জর্জি‌য়াস আমিরুটজাসকে টলেমির ভূগোল বিষয়ক গ্রন্থ অনুবাদের দায়িত্ব দেন। আলি কুশজি নামক সমরকন্দের একজন জ্যোতির্বিদগণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী মাদ্রাসার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
১৫৭৭ সালে তাকি উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে মারুফ ইস্তানবুলে একটি মহাকাশ গবেষণা ক‌েন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। ১৫৮০ সাল পর্যন্ত তিনি এখানে তাঁর জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যান। তিনি সূর্যের কক্ষপথ বিষয়েও গবেষণা করেছেন।[১৪৬]
১৬৬০ সালে উসমানীয় বিদ্বান ইবরাহিম এফেন্দি আল জিগেতভারি তেজকিরেজি নোয়েল ডুরেটের ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা আরবিতে অনুবাদ করেন।[১৪৭]
শরিফউদ্দন সাবুনজুগলু শল্যচিকিৎসার বই এবং মুসলিমদের মধ্যে শেষ প্রধান চিকিৎসার বিশ্বকোষ রচনা করেছিলেন। তার কর্ম ব্যাপকভাবে আবুল কাসিম আল জাহরাউয়ির আল তাসরিফের উপর নির্ভরশীল হলেও তিনি তার নিজস্ব অনেক আবিষ্কার এতে লিপিবদ্ধ করেছেন। নারী শল্যচিকিৎসকরাও প্রথমবারের মত চিকিৎসা বিজ্ঞানে অংশ গ্রহণে এগিয়ে আসে[১৪৮]
মেশুর শাইহ দেদে নামক একজন উসমানীয় বিজ্ঞানী ১৭০২ সালে সময় জ্ঞাপক ঘড়ি  নির্মাণ করেন।[১৪৯]
১৯শ শতাব্দীতে ইসহাক এফেন্দি উসমানীয়দের মধ্যে পাশ্চাত্যের বৈজ্ঞানিক ধারণার সূচনা করেন। এছাড়া পশ্চিমা কর্মের অনুবাদের মাধ্যমে তিনি যথাযথ তুর্কি ও আরবি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এয়ার-নেভাল এভিয়েশন স্কুল অব টার্কি

১৯০৯ সালের জুন থেকে ১৯১১ সালের জুলাইয়ের মধ্যে উসমানীয় বিমান বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়।[১০২][১০৩] উসমানীয় সাম্রাজ্য তার নিজস্ব পাইলট ও প্লেন তৈরি শুরু করে। ১৯১২ সালের ৩ জুলাই এভিয়েশন স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে সাম্রাজ্যের ফ্লাইট অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হত। এভিয়েশন স্কুল প্রতিষ্ঠার ফলে নতুন অনেকে বাহিনীতে তালিকভুক্ত হয় এবং নৌ ও বিমানবাহিনী নতুন পাইলট লাভ করে। ১৯১৪ সালের জুনে নতুন সামরিক একাডেমিনেভাল এভিয়েশন স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া থমকে যায়। যুদ্ধে উসমানী বিমানবাহিনী পশ্চিমে গালিসিয়া থেকে পূর্বে ককেসাস ও দক্ষিণে ইয়েমেনে অনেক যুদ্ধক্ষেত্রে অংশ নিয়েছে।



ভারতীয় দশমিক পদ্ধতিঃ

দ্বাদশ শতাব্দীর দিকে পাটিগণিতের উপর আল-খারেজমির লিখিত  (Algorithmo de Numero Indorum) এর বর্ণনাকৃত ভারতীয় সংখ্যা এর উপর ভিত্তি করে পশ্চিমা বিশ্ব দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু করে।[১০] খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে হিন্দু গণিতবিদগণ দশমিক পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন।[১০] হিন্দুদের উদ্ভাবিত এই দশমিক পদ্ধতি খারিজমিই প্রথম ইসলামী জগতে নিয়ে আসেন। তাঁর রচিত The Book of Addition and Subtraction According to the Hindu Calculation (যোগ-বিয়োগের ভারতীয় পদ্ধতি) তারই উদাহরণ।

টলেমির Geography এর বইটি সংশোধন: খাওয়ারিজমির অন্যতম বৈজ্ঞানিক কর্ম ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমির Geography  নামক বইটি সংশোধন করা। তিনি এই বইয়ে বিভিন্ন শহর এবং এলাকার অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ তালিকাভুক্ত করেন।[১৫]: এছাড়াও তার অন্যতম একটি বিখ্যাত কাজ ছিলজ্যোতির্বিদ্যা টেবিল প্রস্তুতসহ বর্ষপঞ্জি, সূর্যঘড়ি, অ্যাস্ট্রোল্যাব নিয়ে গবেষণা [১৬]:৬৬৯

আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমির কতিপয় মতান্তরীয় জন্মস্থানঃ

রাশিয়ার দাবী, আরব সাগরে পতিত প্রাচীন ইউরোপীয় সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র রাশিয়ার  আমু দরিয়ার একটি দ্বীপের নিকটে অবস্থিত খোয়ারিজম নামক শহরে আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সম্ভবত: এই দাবীর আলোকে খাওয়ারিজমির ১২০০ তম জন্ম বার্ষিক উপলক্ষ্যে ১৯৮৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়া রাষ্ট্রীয়ভাবে ডাক টিকেট প্রকাশ করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে প্রাপ্ত ডাকটিকেটে লেখা ছিলঃ

Muammad ibn Mūsā al-wārizmī. Soviet Union memorative stamp, issued September 6, 1983. The stamp bears his name and says "1200 years", referring to the approximate anniversary of his birth.

 অন্যদিকে আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি-এই নামকরণ থেকে অনুমান করা হয় যে, তিনি সম্ভবত: মধ্যযুগে আব্বাসীয় শাসনামলে খোরাসান প্রদেশের খোয়ারিজমী (খিভা) (বর্তমানে উজবেকিস্থান এর জরাজম প্রদেশ) হতে আগমন করেছিলেন(উইকিপিডিয়া)।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আল তাবারী তার নাম দেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি আল কুতরুবুল্লী (আরবি: موسى الخوارزميّ المجوسيّ القطربّليّ). এই বিশেষণ আল-কুতরুবুল্লী এটাই নির্দেশ করে যে তিনি সম্ভবত বাগদাদ এর নিকটবর্তী ক্ষুদ্র শহর কুতরুবুল, হতে এসেছেন।

  ভূগোলে অবদান

মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি রচিত সুরত-আল-আরদ (The image of the Earth) গ্রন্থটি বিশ্বের প্রথম মানচিত্র হিসেবে বিবেচিত।[২০]

ত্রিকোনোমিতিতে অবদান

আল খোয়ারিজমি রচিত জিজ আল সিন্দ-হিন্দে ত্রিকোণমিতি নিয়ে সীমিত আলোচনা রাখলেও তা ছিল গণিত জগতে বেশ গুরুত্বপূর্ণবহ ছিল। এই বইয়ে ত্রিকোণমিতিক ফাংশন সাইন এবং কোসাইন-এর অনুপাত নির্ণয় করে এগুলোকে তার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল টেবিলে সংযুক্ত করেন। গোলকীয় ত্রিকোণমিতি নিয়েও খোয়ারিজমির একটি বই রয়েছে।[২১] (উইকিপিডিয়া)।

গণিতের মৌলিক ধারণাসমূহ

অঙ্ক

গণিতে অঙ্ক হলো সংখ্যা প্রকাশক চিহ্ন। কোনো সংখ্যায় একটি অঙ্কের দু'ধরণের মান থাকেনিজস্ব মান ও স্থানীয় মান। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে শুরু করে ৯ পর্যন্ত দশটি অঙ্ক আছে। এছাড়াও রয়েছে আরো নানা ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি যেমনঃ বাইনারি( দুই ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি)অক্টাল ( আট ভিত্তিক)হেক্সাডেসিমাল ( ষোলো ভিত্তিক)। তবে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিই বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় সংখ্যা পদ্ধতি ।

গণিতের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ

পরিমাণ

পরিমাণ বিষয়ক গবেষণার ভিত্তি হচ্ছে সংখ্যা। এতে শুরুতেই আলোচিত হয় স্বাভাবিক সংখ্যা ও পূর্ণ সংখ্যা এবং এদের উপর সম্পাদিত বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়া বা অপারেশন আলোচিত হয় পাটীগণিতে। পূর্ণসংখ্যাগুলির গভীরতর ধর্মগুলি আলোচিত হয় সংখ্যাতত্ত্ব শাখায়ফার্মার শেষ উপপাদ্য এই শাখার একটি বিখ্যাত ফলাফল। (উইকিপিডিয়া)

আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশে আরবি সংখ্যা(Arabic Numerals) ভূমিকা

আরবি সংখ্যা: (Arabic Numerals): রোমান সংখ্যা যথাক্রমে I, II, III, IV, V, VI, VII, VIII IX-এর বিপরীতে 1,2,3,4,5,6,7,8,9-এই ৯টি সংখ্যা-কে আন্তর্জাতিক গাণিতিক পরিভাষায় Arabic Numerals (এরাবিক নামারাল) বা আরবি সংখ্যা বলা হয়-যার বঙ্গানুবাদ দাঁড়ায়: আরবী সংখ্যাসমূহ

আরবি সংখ্যা

ইউরোপী ধাঁচের আরবি সংখ্যা এরাবিক নামারালস বা আরবি সংখ্যা নামকরণের ঐতিহাসিক কারণসমূহঃ

কোন কোন ইতিহাসবেত্তা মনে করেন, ইউরোপ এবং আমেরিকাতে 1,2,3,4,5,6,7,8,9-এই ৯টি  ডিজিট "আরবি সংখ্যা" হিসাবে ব্যাপক পরিচিতির কারণ হ'ল দশম শতাব্দীতে উত্তর আফ্রিকার আরবি-স্পিকারদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা যারা তখন লিবিয়া থেকে মরক্কোতে অঙ্কগুলি ব্যবহার করছিলেনআরবরা অন্যান্য অঞ্চলে "পূর্ব আরবি সংখ্যা"গুলি (٠١٢٣٤٥٦٧٨٩) ব্যবহার করছিল। এরাবিক নামারাল বা অঙ্কগুলির ইউরোপীয় গ্রহণযোগ্যতা মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার দ্বারা ত্বরান্বিত হয়েছিল এবং 15 তম শতাব্দীতে এগুলি ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

ব্রিটেনে এরাবিক নামারাল ব্যবহারের প্রারম্ভিক প্রমাণগুলির মধ্যে রয়েছে: ইংল্যান্ডে, রোমান নামারালের পরিবর্তে সাসেক্সের হিথফিল্ড চার্চের টাওয়ারে চার সংখ্যা বিশিষ্ট আরবী সংখ্যা 1445 শিলালিপি; বার্কশায়ার ব্রা চার্চের কাঠের লীচ-গেটে একটি 1448 শিলালিপি; এবং পিডলেট্রেন্থাইড গির্জার, ডরসেটের বেলফ্রি দরজার উপর একটি 1487 শিলালিপি; এবং স্কটল্যান্ডে এলগিন ক্যাথেড্রালের হান্টির প্রথম আর্লের সমাধিতে একটি 1470 শিলালিপি রয়েছে।

উল্লেখ্য, মধ্য ইউরোপে, হাঙ্গেরির বাদশাহ লাডিসালাস মরণোত্তর, আরবি সংখ্যার ব্যবহার শুরু করেছিলেন, যা প্রথমবারের মতো ১৪৫6 এর রাজকীয় নথিতে প্রকাশিত হয়েছে।  ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগে, তারা ইউরোপের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রচলিত ছিল। [২০] (https://bn.wikipedia.org/wiki/আরবি_সংখ্যা)

ইউরোপে এরাবিক নামারালের বিকাশ

খ্রিস্টান ইউরোপে, হিন্দু আরবি সংখ্যাগুলির প্রথম উল্লেখ এবং উপস্থাপনা  করেছিলেন কোডেক্স ভিজিলানাস,লিওনার্দো ফিবোনাচি প্রমুখ। লিওনার্দো ফিবোনাচি তাঁর লিখিত লিবার আবাচিনামক বইয়ে লাতিন বিশ্বে আরবি সংখ্যাগুলি, শূন্যের ব্যবহার এবং দশমিক স্থান ব্যবস্থা উল্লেখ করেছিলেনইউরোপীয়রা এই সংখ্যাটি "আরবি" নামে পরিচিত হয়েছিল। এটি দ্বাদশ শতাব্দী থেকে ইউরোপীয় গণিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে ফলে 15 তম শতাব্দী থেকে খুটিনাটি কিছু সাধারণ কাজে ব্যবহারের ফলে রোমান সংখ্যাসমূহের ব্যবহারিক গুরুত্ব লোপ পায়।

মুসলিম বিজ্ঞানীরা এতে ব্যবহার করেছেন ব্যাবিলনীয় সংখ্যা পদ্ধতি, আরবী আবজাদ সংখ্যা পদ্ধতি, গ্রীক সংখ্যা পদ্ধতি এবং হিব্রু সংখ্যা পদ্ধতি। ইউরোপীয়সাধারণ জনগণের মধ্যে এরাবিক নামারালসমৃদ্ধ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনে নেপথ্যে কাজ করেছিলেন জার্মান লেখক অ্যাডাম রাইস

রাশিয়ায় আরবি সংখ্যা গ্রহণ

সিরিলিক সংখ্যাগুলি দক্ষিণ ও পূর্ব স্লাভিক অধিবাসী কর্তৃক ব্যবহৃত সিরিলিক বর্ণমালা থেকে প্রাপ্ত একটি সংখ্যা পদ্ধতি চালু ছিল। 18 শতকের গোড়ার দিকে পিটার গ্রেট ই সংখ্যা পদ্ধতির সাথে আরবি সংখ্যার সাথে সমন্বয়ের ফলে রাশিয়ায় সরকারীভাবে এই সিস্টেমটি বলবৎ করায়েছিল 

চীনে আরবি সংখ্যা গ্রহণ

ইউয়ান রাজবংশ (12711368) এর সাথে চীন থেকে ফার্সী / আরবি সংখ্যায় 6 ম্যাজিক স্কোয়ারের অর্ডার সহ লোহা প্লেট।

মুসলিম হুই জনগণের দ্বারা ইউয়ান রাজবংশের রাজত্বকালীন সময়ে (1271681368)  চীনে 17 শতকের গোড়ার দিকে, ইউরোপী ধাঁচের আরবি সংখ্যা স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ জেসুইট দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল

এনকোডিং

শুন্যসহ আরবি সংখ্যাগুলির সমন্বয়ে মোর্স কোডের মতো বৈদ্যুতি, রেডিও এবং ডিজিটাল যোগাযোগের জন্য ডিজাইন করা কার্যত প্রতিটি অক্ষর সেটের এনকোড থাকে। এতে 0x30 থেকে 0x39 পজিশনে ASCII -এ এনকোডেড রয়েছে। নিম্ন বর্ণিত 4 টি বাইনারি বিটগুলিতে মাস্কিং (বা শেষ হেক্সাডেসিমাল অঙ্কটি গ্রহণ করা) ডিজিটের মান রয়েছেঃ

বাইনারি

অক্টাল

দশমিক

হেক্স

গ্লাইফ

ইউনিকোড

EBCDIC (হেক্স)

00110000

060

48

30

0

U + 0030 ডিজিট জিরো

F0

00110001

061

49

31

U + 0031 ডিজিট এক

F1

00110010

062

50

32

ইউ + 0032 ডিজিট দুটি

F2

00110011

063

51

33

U + 0033 তিনটি ডিজিট করুন

F3

00110100

064

52

34

U + 0034 ডিজিট চার

F4

00110101

065

53

35

U + 0035 পাঁচটি ডিজিট

F5

00110110

066

54

36

U + 0036 ডিজিট সিক্স

F6

00110111

067

55

37

7

U + 0037 ডিজিট সেভেন

F7

00111000

070

56

38

8

U + 0038 ডিজিট আট

F8

00111001

071

57

39

9

ইউ + 0039 ডিজিট নাইন

F9

 হিন্দু আরবি সংখ্যা পদ্ধতি বা ইন্দো-আরবি সংখ্যা পদ্ধতি

হিন্দু আরবি সংখ্যা পদ্ধতি বা ইন্দো-আরবি সংখ্যা পদ্ধতিটি মূলতঃ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। এই দশমিক পদ্ধতিটি প্রথম ও চতুর্থ শতাব্দীর মধ্যে জনৈক ভারতীয় গণিতবিদ কর্তৃক আবিষ্কার হয়েছিল। এই সময় রোমান সংখ্যা বলবৎ থাকায় উক্ত দশমিক পদ্ধতিটির ব্যবহার সীমিত ছিল। ভারতীয় এই পদ্ধতিটি বিশ্বমানে উন্নীত হয় এরাবিক নামারালের আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে। স্বয়ং বাগদাদের তৎকালীন বাদশাহ বা  খলিফা কর্তৃক রাজকীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র বাগদাদে অবস্থিত বায়তুল হিকমার পক্ষ থেকে হিন্দুস্তানে বিশেষ রাজকীয় প্রতিনিধি পাঠান ইন্দো-আরব বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা গড়ে তোলার জন্য। ফলে এরাবিক নামারালের সিস্টেমটি তৎকালীন ভারতবর্ষে সাদরে গৃহীত কেবল হয়নি বরং ভারতীয় গণিত বিজ্ঞানী আর্যভট্ট কর্তৃক প্রবর্তিত উন্নতমানের শুন্য (-Zero) অংক-কে আরবীকরণ করে এই সংখ্যা পদ্ধতির নামকরণ করা হয় হিন্দু-আরবি সংখ্যা পদ্ধতি। স্বয়ং এরাবিক নামারালের উদ্ভাবক কৃতজ্ঞ মুহাম্মাদ মূসা আল খাওয়ারিজমি ভারতীয় এই গাণিতিক অবদানের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এই ঐতিহাসিক নামকরণ করেছিলেন। এতে প্রতীয়মান হয় যে, নিকট অতীতেও সেমিটিক-নন সেমিটিকের(অ্যারিয়ান) মধ্যে আজকের মত অহি নকুল সম্পর্ক কখনও বিদ্যমান ছিলনা। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মত বিশ্বমানের দপ্তরে বসে নৃতাত্ত্বিক এই দুই জাতির মধ্যে প্রযুক্তিতে কে কত  কত বেশি এগিয়ে আছে রীতিমত  বাহাস-বিতর্কের পরিবেশও ছিল না। উপমহাদেশ কেন্দ্রিক স্বাধীন রাষ্ট্রদ্বয়ের উদ্ভবের পেছনে নেপথ্য শক্তি রূপে কাজ করেছিল সেমিটিক-নন সেমিটিকের(অ্যারিয়ান) অভূতপূর্ব সম্প্রীতিবোধ।

পক্ষান্তরে কৃতজ্ঞ ইউরোপীয়ানরা 1-9 নয় অংক বিশিষ্ট গাণিতিক সংখ্যা প্রবর্তনে মূসা আল খাওয়ারিজমি তথা আরবে অবস্থিত বায়তুল হিকমার সৌজন্যে নবপ্রবর্তিত সংখ্যার নামকরণ করেছিলেন এরাবিক নামারাল। শুধু তাই নয়; কতৃজ্ঞ ইউরোপিয়ানরা এরাবিক নামারালের প্রবর্তক আল খাওয়ারিজমির সন্মানার্থে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ চিপস এর নামকরণ করে অ্যালগরিদম

অ্যালগরিদম (Algorithm)

গণিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের আলোচনায় অ্যালগরিদম (Algorithm) বলতে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিকে বোঝায়, যেটি কতগুলি সসীমসংখ্যক, সুসংজ্ঞায়িত, পরিগণক যন্ত্রে (কম্পিউটারে) বাস্তবায়নযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট ক্রমে বিন্যস্ত নির্দেশের সমষ্টিএটা একটি অ্যালগরিদম যা একটি বন্ধ বাতি কিভাবে কাজ করবে তা দেখাচ্ছে

পরিগণক বিজ্ঞান তথা কম্পিউটার বিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রে যেমন উপাত্তাধার, চিত্রলিখন, জালিকা, পরিচাল ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইত্যাদিতে নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদম নির্মাণ ও বিশ্লেষণ একটি মৌলিক কর্মকাণ্ড।

নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদম নির্মাণ এবং পূর্বলিখিত নির্দেশক্রম (প্রোগ্রাম) রচনার মধ্যে পার্থক্য আছে। নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদম নির্মাণের সম কোনও পরিগণনামূলক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে লভ্য সমস্ত বিকল্প ঠিকমতো বোঝা অত্যাবশ্যক। অর্থাৎ কোনও নির্দিষ্ট সমাধানের জন্য কী যন্ত্রাংশ সামগ্রী ব্যবহৃত হবে, জালিকাব্যবস্থাটি কী রকম, কোন্‌ ভাষা প্রোগ্রাম রচিত হবে, কর্মদক্ষতার উপরে কী কী সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান, এই সব কিছু বিবেচনা রাখতে হকোনও নির্দেশক্রম যদি কোনও সমস্যাকে পূর্ণাঙ্গরূপে এবং দক্ষভাবে সমাধান করতে পারে, তাহলে সেটিকে "সঠিক" বিবেচনা করা হনির্দেশক্রমগুলি প্রবিষ্ট উপাত্ত ও বহির্গত উপাত্তের মাধ্যমে কাজ করে। প্রবিষ্ট উপাত্তের (ইনপুট) উপরে নির্দেশক্রমের প্রতিটি ধাপ ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হ এবং সবশেষে বহির্গত উপাত্ত (আউটপুট) ফলাফল হিসেবে প্রকাশিত হএকটি নির্দেশক্রমকে তখনই "সঠিক" বলা হয়- যদি প্রতিটি প্রবিষ্ট উপাত্তের জন্য নির্দেশক্রমটি সঠিক বহির্গত উপাত্ত উৎপাদন করে। তবে পুরোপুরি নির্ভুল নয়- এমন নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদমও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, যদি ভুলের মাত্রা নিন্ত্রণের মধ্যে রাখা যা

১৫৯৯ এবং ৬৫০ এর গরিষ্ঠ সাধারণ গুণ্নীক (গসাগু) খুঁজে পেতে ইউক্লিড অ্যালগরিদমের একটি গ্রাফিক্যাল বিবরণ

ইংরেজি "অ্যালগরিদম" শব্দটি এসেছে ৯ম শতাব্দীর মুসলিম গণিতবিদ মুসা আল খারিজমী’-এর নাম থেকে। নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদম হচ্ছে ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি বিশেষ অর্থাৎ একটি সমস্যাকে সীমিত সংখ্যক কয়েকটি ধাপে ভেঙ্গে প্রত্যেকটি ধাপ পরপর সমাধান করে সমগ্র সমস্যা সমাধান করাপরিগণক যন্ত্র (কম্পিউটার)রোবট, এমনকি মানুষও নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদমের ধাপগুলি ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারে। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদমের ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একটি নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদমকে যেকোনও ভাষা বর্ণনা করা যেতে পারে, সে ভাষাটি হতে পারে বাংলাইংরেজির মত মানুষের মৌখিক ভাষা অথবা জাভার মত প্রোগ্রাম (পূর্বলিখিত নির্দেশক্রম) রচনার ভাষা। এমনকি যন্ত্রাংশসামগ্রী (হার্ডওয়্যার) নকশাকরণের মাধ্যমেও এটি বর্ণনা করা যেতে পারে। তবে যে ভাষাতেই লেখা হোক না, সমস্যা সমাধানের প্রতিটি ধাপের বর্ণনা নির্দেশক্রম বা অ্যালগোরিদমে থাকতে হবে।

 

ক্যটাগরিভিত্তিক অ্যালগরিদমের প্রকারভেদঃ

- Sorting algorithms.

- Hashing algorithms.

- Basic Data Structures ( উদাহরণ স্বরূপঃ list, array )

- Searching algorithms

- String matching and parsing algorithms.

- Stack, queue, priority queue, mapping, set ইত্যাদি।

- Data structure and graph algorithms.

- Dynamic programming.

- State-space search algorithms.

১০ - Understanding of pointers.

https://bn.quora.com/pratiti-saphataoyyara-injiniyarera-kona-dasati-ayalagaridama-hrdaya-diye-sekha-ucita

কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক নিয়মাবলী কে অ্যালগরিদম বলে। এটি মূলত সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয়।

মনে করুন যে আপনি চা তৈরি করবেন। তাহলে চা তৈরীর অ্যালগরিদমটা কেমন হবে দেখা যাক।

১. প্রথমে আপনাকে একটি পাত্রে পানি দিতে হবে।

২. পানি ফুটানোর জন্য পাত্রটা চুলার উপরে রাখতে হবে।

৩. চুলায় আগুন দিতে হবে।

৪. চুলায় আগুন দিতে হলে ম্যাচ, গ্যাসলাইট হাতে রাখতে হবে

৫.তারপর চুলা জ্বালাতে হবে

৬. পানি গরম হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে।

৭. কত কাপ চা তৈরি করতে হবে তা জানা থাকতে হবে।

৮. চায়ের ধরণ অর্থাৎ চা কি দুধসহ নাকি দুধছাড়া রং চা, চায়ে চিনি হবে নাকি চিনি ছাড়া  হবে তা আগাম জানা থাকতে হবে।

৯. পানি গরম হয়ে গেলে দুধচা হলে তুলনামূলক বেশি চায়ের পাতা দিতে হবে, রং চা হলে কম পরিমাণ পাতা দিতে হবে। অনুরূপ বেশি কাপ চায়ে বেশি পাতা, কম কাপ চায়ে কম পরিমাণ পাতা দিতে হবে। চিনিও অবস্থাভেদে কম/বেশি কিংবা চিনিবিহীন হবে। 

আমরা চা বানানোর জন্য উপরের যে স্টেপগুলো ফলো করলাম এটি মূলত একটি চা বানানোর অ্যালগরিদম।

ঠিক এভাবেই কম্পিউটার বিজ্ঞানের অনেক সমস্যা অবস্থা, প্রকারভেদে অ্যালগরিদম এর মাধ্যমে সমাধান করা হয়

(সূত্রঃ https://bn.quora.com//অ্যালগরিদম-কী-এটি-কেন) 


অ্যালগরিদম স্থপতি আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি

আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি (Abū ʿAbdallāh Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī; ফার্সি উচ্চারণ: খাওয়ারেজমি) (৭৮০-৮৫০) মধ্যযুগীয় মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। তিনি ছিলেন একাধারে গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। (উইকিপিডিয়া)।আনুমানিক ৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে তিনি জন্ম গ্রহণ করেনআল খারিজমি খলিফা আল মামুনের বায়তুল হিকমাহ সংলগ্ন গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিকের চাকুরি করতেন। খলিফা মামুনের মৃত্যুর পর পরবর্তী খলিফা আল ওয়াতহিকের (Al Wathiq) শাসনকালের সাথেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। বাগদাদের খলিফা আল মামুনের মৃত্যুর ১৪ বছর পর (আনুমানিক ৮৫০ খ্রীষ্টাব্দে) আল খারিজমির মৃত্যু হয়

আবু অআবদুল্লাহ খাওয়ারিজমি পাটিগণিতবীজগণিতভূগোল এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে প্রভূত অবদান রাখেন। তবে মূলত বীজগণিতের জন্যই তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন।
এজন্যই তাকে বীজগণিতের জনক বলা হয়।

 বীজগণিতে আরবীয় ভূমিকাঃ  কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবলা”-তে আল-খারেজমি রৈখিক এবং দ্বিঘাত সমীকরণ এর প্রথম পদ্ধতিগত সমাধান উপস্থাপন করেন। বীজগণিতে তার প্রধান সাফল্য ছিল বর্গের সাহায্যে দ্বিঘাত সমীকরণের জ্যামিতিক প্রমাণসহ সমাধান।[৪] সর্বপ্রথম তিনিই বীজগণিতকে স্বাধীন শাখা হিসেবে তুলে ধরেন এবং সমীকরণ সমাধানের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন, তাই খোয়ারিজমিকে বীজগণিতের জনক[৫][৬] বা প্রতিষ্ঠাতা[৭][৮] বলা হয়আলজেবরা (বীজগণিত) শব্দটিই এসেছে তার আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বই এর শিরোনাম থেকে। তার নামটি guarismo (স্পেনীয়)[৯] এবং algarismo (পর্তুগিজ) দুইটিরই একক উৎস এবং অভিন্ন অর্থ: অঙ্ক। উল্লেখ্য, ১১৪৫ সালে রবার্ট অব চেস্টার কর্তৃক অনুবাদকৃত আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বইটি ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণিতের প্রধান বই হিসেবে পড়ানো হত। [১১][১২][১৩][১৪] (উইকিপিডিয়া)।

ভারতীয় দশমিক পদ্ধতিঃ

দ্বাদশ শতাব্দীর দিকে পাটিগণিতের উপর আল-খারেজমির লিখিত  (Algorithmo de Numero Indorum) এর বর্ণনাকৃত ভারতীয় সংখ্যা এর উপর ভিত্তি করে পশ্চিমা বিশ্ব দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু করে।[১০] খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে হিন্দু গণিতবিদগণ দশমিক পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন।[১০] হিন্দুদের উদ্ভাবিত এই দশমিক পদ্ধতি খারিজমিই প্রথম ইসলামী জগতে নিয়ে আসেন। তাঁর রচিত The Book of Addition and Subtraction According to the Hindu Calculation (যোগ-বিয়োগের ভারতীয় পদ্ধতি) তারই উদাহরণ।

টলেমির Geography এর বইটি সংশোধন: খাওয়ারিজমির অন্যতম বৈজ্ঞানিক কর্ম ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমির Geography  নামক বইটি সংশোধন করা। তিনি এই বইয়ে বিভিন্ন শহর এবং এলাকার অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ তালিকাভুক্ত করেন।[১৫]: এছাড়াও তার অন্যতম একটি বিখ্যাত কাজ ছিলজ্যোতির্বিদ্যা টেবিল প্রস্তুতসহ বর্ষপঞ্জি, সূর্যঘড়ি, অ্যাস্ট্রোল্যাব নিয়ে গবেষণা [১৬]:৬৬৯

আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমির কতিপয় মতান্তরীয় জন্মস্থানঃ

রাশিয়ার দাবী, আরব সাগরে পতিত প্রাচীন ইউরোপীয় সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র রাশিয়ার  আমু দরিয়ার একটি দ্বীপের নিকটে অবস্থিত খোয়ারিজম নামক শহরে আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সম্ভবত: এই দাবীর আলোকে খাওয়ারিজমির ১২০০ তম জন্ম বার্ষিক উপলক্ষ্যে ১৯৮৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়া রাষ্ট্রীয়ভাবে ডাক টিকেট প্রকাশ করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে প্রাপ্ত ডাকটিকেটে লেখা ছিলঃ

Muammad ibn Mūsā al-wārizmī. Soviet Union memorative stamp, issued September 6, 1983. The stamp bears his name and says "1200 years", referring to the approximate anniversary of his birth.

 অন্যদিকে আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-খারেজমি-এই নামকরণ থেকে অনুমান করা হয় যে, তিনি সম্ভবত: মধ্যযুগে আব্বাসীয় শাসনামলে খোরাসান প্রদেশের খোয়ারিজমী (খিভা) (বর্তমানে উজবেকিস্থান এর জরাজম প্রদেশ) হতে আগমন করেছিলেন(উইকিপিডিয়া)।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আল তাবারী তার নাম দেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি আল কুতরুবুল্লী (আরবি: موسى الخوارزميّ المجوسيّ القطربّليّ). এই বিশেষণ আল-কুতরুবুল্লী এটাই নির্দেশ করে যে তিনি সম্ভবত বাগদাদ এর নিকটবর্তী ক্ষুদ্র শহর কুতরুবুল, হতে এসেছেন।

 আধুনিক বৈজ্ঞানিক সৃষ্টিতত্ত্বের পর্যায়ক্রমিক ইতিকথাঃ

প্রাচীন বৈজ্ঞানিক যুগঃবলা যায় সেদিন থেকেই জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সূচনা ঘটেছিল। আর মানব জাতির এই অগ্রযাত্রার উষালগ্নে যে সব উদ্ভাবনী বিষয়সমূহের তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছিল তন্মধ্যে অন্যতম প্রধান ছিলঃ ১) পরিধানের প্রয়োজনে বস্ত্র প্রযুক্তি (Textile Technology) ২) খাদ্যের প্রয়োজনে কৃষি প্রযুক্তি (Agriculture Technology) ৩) স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে চিকিৎসা প্রযুক্তি (Medical Technology), ৪) বাসস্থানের প্রয়োজনে পূর্ত প্রযুক্তি (Civil Technology) ইত্যাদি  আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞান চর্চার সূত্র সুদূর অতীত ৩০০০ থেকে ১২০০ বিসিই সময়কালে প্রাচীন মিশর এবং মেসোপটেমিয়ায় পাওয়া যায় তাদের গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের পাশাপাশি প্রাকৃতিক কারণগুলোর উপর ভিত্তি করে বস্তুজগতকে ব্যাখ্যা করার সাধারণ প্রচেষ্টাও ছিল। পশ্চিমা রোমান সম্রাজ্য পতিত হবার পর পশ্চিমা ইউরোপে গ্রিসভিত্তিক পৃথিবী সম্পর্কিত জ্ঞান কমতে থাকে যা মধ্যযুগের ৪০০ থেকে ১০০০ সিই পর্যন্ত ছিল।

উল্লেখ্য, মানব জ্ঞানের সংরক্ষণে বাইজেন্টাইন  পারসিয়ানদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব ছিল। চতুর্থ থেকে সপ্তম শতকে গ্রীক ও সিরিয়াক ভাষার প্রজ্ঞাময় রচনাগুলো নতুন করে শুরু হয় যা হেলেনিয়া যুগ থেকে জারি ছিল জ্ঞানচর্চা ও আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ছিল। এগুলোর মধ্যে ছিল স্কুল অব নিসিবিস ও পরবর্তীতে স্কুল অব এডেসাসে সাথে জুন্দশাপুরের মেডিকেল একাডেমি গ্রন্থাগারের মধ্যে ছিল আলেক্সান্দ্রিয়ার প্রাচীন গ্রন্থাগার  কনস্টান্টিনোপলের রাজকীয় গ্রন্থাগার এবং অনুবাদ ও শিক্ষালাভের অন্যান্য কেন্দ্র যা মার্ভসেলোনিকানিশাপুর  তিসফুনে অবস্থিত ছিল।(সূত্র উইকিপিডিয়া)

628 খ্রি: ব্রহ্মগুপ্ত শূন্য জড়িত গাণিতিক জন্য নিয়ম লিখে[87]পাশাপাশি নেতিবাচক সংখ্যার জন্যলিউ হুই দ্বারা প্রবর্তিত পরবর্তীকালের প্রাথমিক নিয়মগুলি প্রসারিত করা।

বীজগণিত

·         628 খ্রি: ব্রহ্মগুপ্ত এর স্পষ্ট সমাধান সরবরাহ করে দ্বিঘাত সমীকরণ.[88]

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: জৈন গণিতবিদ মহাভরা কিউবগুলির পার্থক্যের জন্য একটি কারণ নির্ধারণ করে।[89]

সংখ্যা তত্ত্ব এবং পৃথক গণিত

·         628 খ্রি: ব্রহ্মগুপ্ত নিচে লিখে ব্রহ্মগুপ্তের পরিচয়এর তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ লেমমা পেলের সমীকরণ.

·         628 খ্রি: ব্রহ্মগুপ্ত একটি অসীম (তবে সম্পূর্ণ নয়) এর সমাধানের সংখ্যা সরবরাহ করে পেলের সমীকরণ.

·         গ। 850 খ্রি: মহাভরা ফ্যাকটোরিয়ালগুলির ক্ষেত্রে দ্বিপদী সহগের জন্য অভিব্যক্তি প্রাপ্ত{ binom {n}{r}}={ frac {n!}{r!(n-r)!}}.[38]

·         গ। 975 খ্রি: হালায়ুধা দ্বিপদী সহগগুলি একটি ত্রিভুজের মধ্যে সংগঠিত করেঅর্থাৎ পাস্কেলের ত্রিভুজ.[38]

জ্যামিতি এবং ত্রিকোণমিতি

·         628 খ্রি: ব্রহ্মগুপ্ত আবিষ্কার ব্রহ্মগুপ্তের সূত্রচক্রাকার চতুর্ভুজগুলিতে হেরনের সূত্রের একটি সাধারণীকরণ।

ক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস ঈসাব্দপূর্ব ৪০০ সনে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম ‘কণা’ (Atom) অবিভাজ্য নিয়ে মতবাদ পোষণ করে আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সূচনা করেছিলেন ডেমোক্রিটাস পদার্থের ক্ষুদ্রতম ‘কণা’ (Atom) এই অবিভাজ্যতার   নামকরণ করেছিলেন তাঁর ভাষায় (গ্রীক) ‘অ্যাটোমাস’  অর্থঃ আর ভাঙ্গা যাবে নাএই অ্যাটোমাস শব্দ থেকে  ইংরেজী: Atom(অ্যাটম-অবিভাজ্য) শব্দের বুৎপত্তি অতঃপর এই বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখেন আরেক গ্রীক ব্যক্তিত্ব অ্যারিষ্টটল। অ্যারিষ্টটলের মতেপদার্থসমূহ নিরবচ্ছিন্ন (continuous) একে যতই ভাঙ্গা হোক না কেনপদার্থের কণাগুলো ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হতে থাকবে।

 বৈজ্ঞানিক মধ্যযুগঃ মধ্যযুগে জাবের ইবনে হায়ান আল আরাবি পদার্থ বিজ্ঞানের পারমাণবিক মৌল কণা নির্ধারণী পর্যায় সারণির চতুর্মাত্রিক রূপ দানের মাধ্যমে  করে বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্বের অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। পর্যায় সারণি হচ্ছে এক ধরনের ছক যেখানে আজ পর্যন্ত আবিস্কৃত রাসায়নিক মৌল সমূহকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম এবং ইলেকট্রনিক বিন্যাসের ভিত্তিতে বিভিন্ন পর্যায় ও সারণীতে সাজানো হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্ব তত্ত্বের আধুনিক স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে একটি মাত্র অতিপারমাণবিক বস্তুকণা হিগস বোসন বিগ ব্যাং পরবর্তী ভরত্ব লাভ করার পর এক পর্যায়ে তাতে প্রোটন কণার আবির্ভাব ঘটিয়ে যে সকল জাত-প্রকৃতির বস্তু-পদার্থের উদ্ভব ঘটিয়েছিল তারই নিম্নরূপ ছক-কে পর্যায় সারণি বলা হয়।

https://qph.fs.quoracdn.net/main-qimg-bab29cf5eb19edfda9c9038370eab88f-lq

উল্লেখ্য আবু আব্দুল্লাহ জাবির ইবনে হাইয়ান বস্তু জগতকে প্রধানতঃ তিন ভাগে বিভক্ত করে প্রথম ভাগে স্পিরিট, দ্বিতীয় ভাগে ধাতু এবং তৃতীয় ভাগে যৌগিক পদার্থের স্থান দেনতাঁর এ আবিষ্কারের উপর নির্ভর করেই পরবর্তী বিজ্ঞানীরা বস্তুজগৎ-কে ১.বাষ্পীয় ২. পদার্থ ও পদার্থ বহির্ভূত-এই তিন ভাগে বিভক্ত করেনজাবির কর্পূর, আর্সেনিক ও এমোনিয়াম ক্লোরাইডসহ এমন সব বস্তু বিশ্ব সভ্যতার সামনে তুলে ধরেন, যেগুলোকে তাপ দিলে বাষ্পে পরিণত হয়। এ পর্যায়ে আছে । তিনি দেখান কিছু মিশ্র ও যৌগিক পদার্থ; যেগুলোকে অনায়েসে চূর্ণে পরিনত করা যায়। নির্ভেজাল বস্তুর পর্যায়ে তিনি তুলে ধরেন সোনা, রূপা, তামা, লোহা, দস্তা প্রভৃতি।
জাবির সর্ব প্রথম নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড আবিষ্কার করেন। তিনি 'কিতাবুল ইসতিতমাস' এ নাইট্রিক এসিড প্রস্তুত করার ফর্মুলা রয়েছে। সাধারণত: নাইট্রিক এসিডে স্বর্ণ গলে না। নাইট্রিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রনে স্বর্ণ গলানোর ফরমুলা জাবির প্রথম আবিষ্কার করেন। তিনি এর নাম দেন  "একোয়া রিজিয়া " । তাছাড়া পাতন, উর্ধ্বপাতন, পরিস্রাবণ, দ্রবণ, কেলাসন, ভস্মীকরণ, গলন, বাষ্পীভবন ইত্যাদি রাসায়নিক সংশ্লেষণ বা অনুশীলন গবেষণায় কি কি রূপান্তর হয় এবং তাঁর ফল কি তিনি তাও বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি চামড়া ও কাপড়ে রঙ করার প্রণালী, ইস্পাত প্রস্তুত করার পদ্ধতি, লোহা, ওয়াটার প্রুফ কাপড়ে বার্নিশ করার উপায়, সোনার জলে পুস্তকে নাম লেখার জন্য লৌহের ব্যবহার ইত্যাদি আবিষ্কার করেন।
কথিত আছে যে, জাবির ইবনে হাইয়ান স্বর্ণ ও পরশ পাথর তৈরী করতে পারতেন। জাবিরের মতে, সোনা, রূপা, লোহা প্রভৃতি যত প্রকার ধাতু আছে, কোন ধাতুরই মৌলিকতা নেই। এসব ধাতুই পারদ আর গন্ধকের সমন্বয়ে গঠিত। খনিজ ধাতু খনিতে যে নিয়মে গঠিত হয় সে নিয়মে মানুষও ঐ সব ধাতু তৈরী করতে পারে।
জাবির এপোলিয়ানের আধ্যাত্মিকবাদ, প্লেটো, সক্রেটিস, এরিস্টটল, পিথাগোরাস, ডিমোক্রিটিস প্রমুখের গ্রন্থের সংগে পরিচিত এবং গ্রীক ভাষায় সুবিজ্ঞ ছিলেন।

 https://www.thefajr.com/bn/ প্রতিষ্ঠান-ও-ব্যক্তিত্ব/ব্যক্তিত্বদের-জীবনী/item/979-জাবের-ইবনে-হাইয়ানএর-

 পরে ইসলামিক স্বর্ণযুগে তার সংরক্ষিত হয়।[৬] ১০ম থেকে ১৩শ শতাব্দিতে গ্রিকদের জ্ঞান এবং পশ্চিম ইউরোপের থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান একত্রে পুর্নজাগরিত হয় "প্রাকৃতিক দর্শন" হিসেবে।[৫][৭] যা ১৬শ শতকে শুরু হওয়া বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সময় থেকে রূপান্তরিত হতে থাকে।[৮] সেই সময় নতুন নতুন আবিষ্কার ও চিন্তাধারার কারনে গ্রিকদের ধারণা এবং চেতনার থেকে তা আলাদা পথে ধাবিত হয়।[৯][১০][১১][১২] বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রে দ্রুতই বড় ধরনের ভূমিকা পেতে লাগল। ১৯শ শতকের মধ্যেই অনেক পেশাগত এবং বিদ্যাগত বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা পরিপূর্ণ রূপ পেতে শুরু করে।[১৩][১৪][১৫] এরই সাথে সাথে "প্রাকৃতিক দর্শন" রূপান্তরিত হয়ে আর্বিভূত হয় "প্রাকৃতিক বিজ্ঞান" হিসেবে।[১৬]

 

গণিত

নম্বরপরিমাপ এবং পাটিগণিত

·             দশম শতাব্দী খ্রিস্টাব্দ: ভারতে মঞ্জুলা ডেরিভেটিভ আবিষ্কার করেঅনুমান করে যে সাইন ফাংশনের ডেরাইভেটিভ কোসাইন।[90]

সম্ভাব্যতা ও পরিসংখ্যান

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: আল-কিন্দিএর ডাইফারিং ক্রিপ্টোগ্রাফিক বার্তাগুলিতে পান্ডুলিপি পরিসংখ্যানগত অনুমানের প্রথম ব্যবহার রয়েছে।[91]

সংখ্যার গণিত এবং অ্যালগোরিদম

·         628 খ্রিস্টাব্দ: ব্রহ্মগুপ্ত দ্বিতীয় আকারের ইন্টারপোলেশন আবিষ্কার করেছেনআকারে ব্রহ্মগুপ্তের ইন্টারপোলেশন সূত্র.

·         629 খ্রি: ভাস্কারা আই একটি যৌক্তিক ফাংশন সহ একটি ট্রান্সসেন্টাল ফাংশনের প্রথম অনুমানের উত্পাদন করে সাইন আনুষঙ্গিক সূত্র যে তার নাম বহন করে।

·         816 খ্রি: জৈন গণিতবিদ বিরসেনা পূর্ণসংখ্যার লগারিদম বর্ণনা করে।[92]

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: অ্যালগরিজম (স্থান-মান ব্যবস্থায় লিখিত সংখ্যার গাণিতিক অ্যালগরিদমগুলি) আল-খয়ারিজমি তাঁর বর্ণনা করেছেন কিতাব আল-ইসāব আল-হিন্দ ī (ভারতীয় গণনার বইএবং কিতাব আল জাম-ওয়াল-তাফরিক আল-ইসব আল-হিন্দ (ভারতীয় গাণিতিকগুলিতে সংযোজন এবং বিয়োগফল).

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: মহাভরা মিশরীয় ভগ্নাংশ হিসাবে ভগ্নাংশ রচনার জন্য প্রথম অ্যালগরিদম আবিষ্কার করে[93]যা আসলে এর কিছুটা সাধারণ রূপ general মিশরীয় ভগ্নাংশের জন্য লোভী অ্যালগরিদম.

স্বরলিপি এবং সম্মেলন.

গণিত

নম্বরপরিমাপ এবং পাটিগণিত

·             দশম শতাব্দী খ্রিস্টাব্দ: ভারতে মঞ্জুলা ডেরিভেটিভ আবিষ্কার করেঅনুমান করে যে সাইন ফাংশনের ডেরাইভেটিভ কোসাইন।[90]

সম্ভাব্যতা ও পরিসংখ্যান

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: আল-কিন্দিএর ডাইফারিং ক্রিপ্টোগ্রাফিক বার্তাগুলিতে পান্ডুলিপি পরিসংখ্যানগত অনুমানের প্রথম ব্যবহার রয়েছে।[91]

সংখ্যার গণিত এবং অ্যালগোরিদম

·         628 খ্রিস্টাব্দ: ব্রহ্মগুপ্ত দ্বিতীয় আকারের ইন্টারপোলেশন আবিষ্কার করেছেনআকারে ব্রহ্মগুপ্তের ইন্টারপোলেশন সূত্র.

·         629 খ্রি: ভাস্কারা আই একটি যৌক্তিক ফাংশন সহ একটি ট্রান্সসেন্টাল ফাংশনের প্রথম অনুমানের উত্পাদন করে সাইন আনুষঙ্গিক সূত্র যে তার নাম বহন করে।

·         816 খ্রি: জৈন গণিতবিদ বিরসেনা পূর্ণসংখ্যার লগারিদম বর্ণনা করে।[92]

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: অ্যালগরিজম (স্থান-মান ব্যবস্থায় লিখিত সংখ্যার গাণিতিক অ্যালগরিদমগুলি) আল-খয়ারিজমি তাঁর বর্ণনা করেছেন কিতাব আল-ইসāব আল-হিন্দ ī (ভারতীয় গণনার বইএবং কিতাব আল জাম-ওয়াল-তাফরিক আল-ইসব আল-হিন্দ (ভারতীয় গাণিতিকগুলিতে সংযোজন এবং বিয়োগফল).

·         খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দী: মহাভরা মিশরীয় ভগ্নাংশ হিসাবে ভগ্নাংশ রচনার জন্য প্রথম অ্যালগরিদম আবিষ্কার করে[93]যা আসলে এর কিছুটা সাধারণ রূপ general মিশরীয় ভগ্নাংশের জন্য লোভী অ্যালগরিদম.

স্বরলিপি এবং সম্মেলন

·         8২৮ খ্রিস্টাব্দ: ব্রহ্মগুপ্ত একটি প্রতীকী গাণিতিক স্বরলিপি আবিষ্কার করেনযা পরে গণিতবিদরা ভারত এবং নিকট পূর্ব এবং অবশেষে ইউরোপের মাধ্যমে গ্রহণ করেছিলেন।

পদার্থবিজ্ঞান

জ্যোতির্বিজ্ঞান

·         6th ষ্ঠ শতাব্দী: বারাহমিরা গুপ্ত সাম্রাজ্যের মধ্যে প্রথম ধূমকেতুকে জ্যোতির্বিদ্যার ঘটনা হিসাবে বর্ণনা করা হয়এবং পর্যায়ক্রমিক প্রকৃতির হিসাবে।[94]

মেকানিক্স

·         গ। 525 খ্রি: জন ফিলোপোনাস বাইজেন্টাইন মিশরে জড়তার ধারণা বর্ণনা করে এবং বলে যে একটি পতনশীল বস্তুর গতি তার ওজনের উপর নির্ভর করে না।[95] অ্যারিস্টটলিয়ান গোঁড়া সম্পর্কে তাঁর উগ্র অস্বীকৃতি তাকে তাঁর সময়ে উপেক্ষা করাতে পরিচালিত করে।

অপটিক্স

·         984 খ্রি: ইবনে সাহল রা আবিষ্কার স্নেলের আইন.[96][97]

জ্যোতির্বিদ্যা এবং ভূ-পরিমাপের পরিমাপ

·         দশম শতাব্দী: কাশ্মীরি[98][99][100][101] জ্যোতির্বিদ ভাওোটপালা নির্দিষ্ট ধূমকেতুরের নাম এবং অনুমানকালগুলি তালিকাভুক্ত করে।[94]

1000 AD - 1500 AD

গণিত

বীজগণিত

·         11th শতাব্দী: আলহাজেন ধারাবাহিক কোয়ার্টিক শক্তির যোগফল হিসাবে সংজ্ঞায়িত সরল সংখ্যাগুলির সূত্রটি আবিষ্কার করে।

সংখ্যা তত্ত্ব এবং পৃথক গণিত

·         গ। 1000 খ্রি: আল-কারাজি গাণিতিক আবেশন ব্যবহার করে।[102]

·         খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দী: ভাস্কারা দ্বিতীয় বিকাশ চক্রবালা পদ্ধতিপেলের সমীকরণ সমাধান করা।[103]

জ্যামিতি এবং ত্রিকোণমিতি

·         15 শতকে: পরমেশ্বর চতুর্ভুজের পরিধি জন্য সূত্র আবিষ্কার করে।[104]

বিশ্লেষণ

·         1380 খ্রি: সংগ্রহগ্রামের মাধব টেলর সিরিজ বিকাশ করে এবং সাইনকোসাইন এবং আর্টাক্যানজেন্ট ফাংশনগুলির জন্য টেলর সিরিজের উপস্থাপনা অর্জন করে এবং এটি উত্পাদন করতে ব্যবহার করে জন্য Leibniz সিরিজ π.[105]

·         1380 খ্রি: সংগ্রহগ্রামের মাধব এর জন্য তার অসীম সিরিজের প্রসঙ্গে অসীম সিরিজে ত্রুটির শর্তাদি আলোচনা করে π.[106]

·         1380 খ্রি: সংগ্রহগ্রামের মাধব আবিষ্কার অবিরত ভগ্নাংশ এবং এগুলি ট্রান্সেন্ডেন্টাল সমীকরণগুলি সমাধান করতে ব্যবহার করে।[107]

·         1380 খ্রিস্টাব্দ: কেরালা স্কুল অসীম সিরিজের জন্য কনভার্জেনশন টেস্টগুলি বিকাশ করে।[105]

·         গ। 1500 খ্রি: নীলকণ্ঠ সোময়াজি জন্য একটি অসীম সিরিজ আবিষ্কার π.[108][109]

সংখ্যার গণিত এবং অ্যালগোরিদম

·         খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দী: আল-তুসি কিউবিক সমীকরণগুলি সমাধান করার জন্য একটি সংখ্যার অ্যালগরিদম বিকাশ করে।

·         1380 খ্রি: সংগ্রহগ্রামের মাধব পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে ট্রান্সেন্ডেন্টাল সমীকরণগুলি সমাধান করে।[107]

·         1380 খ্রি: সংগ্রহগ্রামের মাধব সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট অনুমান আবিষ্কার করেছেন π তাঁর অসীম ধারাবাহিকের মধ্য দিয়ে মধ্যযুগীয় বিশ্বেঅনিশ্চয়তা 3e-13 সহ একটি কঠোর বৈষম্য।

পদার্থবিজ্ঞান

জ্যোতির্বিজ্ঞান

·         1058 খ্রি: আল-জারকালি ইসলামী স্পেনে সূর্যের মহাসাগরীয় প্রবণতা আবিষ্কার করে।

·         গ। 1500 খ্রি: নীলকণ্ঠ সোময়াজি এর মতো একটি মডেল বিকাশ করে টাইকোনিক সিস্টেম। কেন্দ্রের সমীকরণকে সঠিকভাবে বিবেচনা করার কারণে তার মডেলটি টাইকনিক সিস্টেমের তুলনায় গণিতের তুলনায় আরও দক্ষ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং অক্ষাংশ বুধ এবং শুক্রের গতি।[90][110]

মেকানিক্স

·         খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দী: ইরাকের ইহুদি পলিম্যাথ বারুচ বেন মালকা ধ্রুবক বাহিনীর জন্য নিউটনের দ্বিতীয় আইনের একটি গুণগত রূপ তৈরি করে।[111][112]

অপটিক্স

·         11th শতাব্দী: আলহাজেন পদ্ধতিগতভাবে অপটিক্স এবং রিফ্রাকশন অধ্যয়ন করেযা পরে জ্যামিতিক (রশ্মি) অপটিক্স এবং তরঙ্গ তত্ত্বের মধ্যে সংযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

·         11th শতাব্দী: শেন কুও বায়ুমণ্ডলীয় অপসারণ আবিষ্কার করে এবং এর সঠিক ব্যাখ্যা সরবরাহ করে রংধনু ঘটমান বিষয়

·         c1290 - চশমা উত্তর ইতালিতে উদ্ভাবিত হয়েছে,[113] সম্ভবত পিসামানব জীববিজ্ঞানের জ্ঞান প্রদর্শন করে[হদফ ঘ] এবং অপটিকসবিসপোকের কাজগুলি সরবরাহ করার জন্য যা একটি পৃথক মানুষের অক্ষমতার জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়।

জ্যোতির্বিদ্যা এবং ভূ-পরিমাপের পরিমাপ

·         11th শতাব্দী: শেন কুও এর ধারণাগুলি আবিষ্কার করে প্রকৃত উত্তর এবং চৌম্বকীয় পতন.

·         11th শতাব্দী: শেন কুও এর ক্ষেত্র বিকাশ করে ভূতত্ত্ব এবং প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তন।

সমাজবিজ্ঞান

অর্থনীতি  

·         1295 খ্রি: স্কটিশ পুরোহিত ডানস স্কটাস বাণিজ্যের পারস্পরিক সুবিধা সম্পর্কে লিখেছেন।[114]

·         ১৪ শ শতাব্দী খ্রিস্টাব্দ: ফরাসী যাজক জিন বুড়িদান মূল্য সিস্টেমের একটি প্রাথমিক ব্যাখ্যা সরবরাহ করে।

বিজ্ঞানের দর্শন

·         1220s - রবার্ট গ্রোসেটেস্টে অপটিক্স এবং লেন্সের উত্পাদন নিয়ে লেখেনযখন জোর দেওয়া মডেলগুলি পর্যবেক্ষণ থেকে তৈরি করা উচিত এবং সেই মডেলগুলির পূর্বাভাসগুলি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছেপূর্বসূরীতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি.[115]

·         1267 - রজার বেকন তার প্রকাশিত ওপাস মাজুসঅনুবাদকৃত ধ্রুপদী গ্রীকএবং আরবি গণিতঅপটিক্স এবং আলকেমিতে একটি আয়তনে রচনা করে এবং তত্ত্বগুলি বিশেষত টলেমির দ্বিতীয় শতাব্দীর তত্ত্বগুলি মূল্যায়নের জন্য তার পদ্ধতিগুলি বিশদ করে অপটিক্সএবং লেন্স উত্পাদন সম্পর্কে তার ফলাফলজোর দিয়ে "কারণ দ্বারা সরবরাহিত তত্ত্বগুলি সংবেদনশীল ডেটা দ্বারা যাচাই করা উচিতযন্ত্র দ্বারা সহায়তা করা এবং বিশ্বস্ত সাক্ষী দ্বারা সংশোধন করা উচিত", পিয়ারের পূর্বসূরীতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।


আধুনিক যুগ: গ্রীক-রোমভিত্তিক প্রাচীন ইউরোপীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো নিভেছিল  ১০০০ সাল পর্যন্ত। একাদশ শতাব্দীতে অআলোর শিখা অআবারও বিকীর্ণ হতে শুরু করে যা আজও প্রবল প্রতাপে অব্যাহত রয়েছে।

 উল্লেখ্য, পদার্থে অতিপারমাণবিক নিউক্লিয়ার্স কণা আবিস্কার করে বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব-কে অতিপারমাণবিকীকরণ করেছিলেন বিজ্ঞানী রাদার ফোর্ড তার পরীক্ষালব্ধ ফলাফল থেকে জানা যায় যেপরমাণু হলো ধনাত্মক আধান ও ভর একটি ক্ষুদ্র জায়গায় আবদ্ধ’ তিনি এর নাম দেন ‘নিউক্লিয়াস’ প্রোটন ও ইলেকট্রন নিয়ে গঠিত হয় পরমাণু কেন্দ্র-এই কেন্দ্রকে বলা হয় নিউক্লিয়ার্স। নিউক্লিয়ার্স এর চার পাশে ঘুরতে থাকে পরমাণুর ইলেকট্রন।


সপ্তদশ শতাব্দীঃ আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সূচক শতক


16 শতক

সপ্তদশ শতাব্দী আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ইউরোপে এই সময়কালের প্রায়শই ঘটে, বিজ্ঞানের অগ্রগতি ব্যাপকভাবে ত্বরান্বিত করে এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের যৌক্তিকতায় অবদান রাখে।


গণিত

নম্বর, পরিমাপ এবং পাটিগণিত

·         1545: গেরোলোমো কার্ডানো আবিষ্কার করলেন জটিল সংখ্যা.[116]

·         1572: রাফায়েল বোম্বেলি এর জন্য বিধি সরবরাহ করে জটিল গাণিতিক.[117]

বীজগণিত

·         গ। 1500: স্কিপিওন ডেল ফেরো বিশেষ ঘনকীয় সমীকরণ সমাধান করে .[118][119]

·         16 ম শতাব্দী: গেরোলোমো কার্ডানো সাধারণ ঘন সমীকরণ সমাধান করে (এগুলি শূন্য চতুর্ভুজ পদযুক্ত করে কেটে)।

·         16 ম শতাব্দী: লোডোভিকো ফেরারি সাধারণ কোয়ার্টিক সমীকরণ সমাধান করে (এটিকে শূন্য কোয়ার্টিক পদ দিয়ে কমানোর মাধ্যমে)।

·         16 ম শতাব্দী: ফ্রান্সোইস ভাইয়েটে আবিষ্কার ভিয়েটার সূত্রগুলি.সম্ভাব্যতা ও পরিসংখ্যান

·         1564: গিরোলোমো কার্ডানো প্রথম সম্ভাব্যতার একটি নিয়মতান্ত্রিক চিকিত্সা উত্পাদন করেছেন।[120]

সংখ্যার গণিত এবং অ্যালগোরিদম

·         16 ম শতাব্দী: ফ্রান্সোইস ভাইয়েটে আবিষ্কার ভাইয়ের সূত্র জন্য π.[121]

স্বরলিপি এবং সম্মেলন

আধুনিক প্রতীকী চিহ্নের বিভিন্ন টুকরো এই সময়ে প্রবর্তিত হয়েছিল, উল্লেখযোগ্য:

·         1556: নিকোলি টারতাগলিয়া প্রথম বন্ধনী প্রবর্তন।

·         1557: রবার্ট রেকর্ড সমান চিহ্নটি পরিচয় করিয়ে দেয়।[122][123]

·         1591: ফ্রান্সোইস ভাইয়েটেএর নতুন বীজগণিত আধুনিক বৌদ্ধ বীজগণিত কারসাজি দেখায়।

পদার্থবিজ্ঞান

জ্যোতির্বিজ্ঞান

·         1543: নিকোলাস কোপার্নিকাস বিকাশ হিলিওসেন্ট্রিক মডেলআর্যভট্ট হিলিওসেন্ট্রিক মডেল ব্যবহার করেননি বলে ধরে নেওয়া, এটি ইতিহাসের প্রথম পরিমাণগত হিলিওসেন্ট্রিক মডেল হবে।

·         16 ম শতাব্দীর শেষের দিকে: টাইকো ব্রাহে প্রমান করে যে ধূমকেতুগুলি মহাকাশীয় (এবং বায়ুমণ্ডলীয় নয়) ঘটনা।

জীববিজ্ঞান এবং অ্যানাটমি

·         1543 – ভেসালিয়াস: মানব শারীরবৃত্তির জন্য অগ্রণী গবেষণা

সমাজবিজ্ঞান

অর্থনীতি

·         1517: নিকোলাস কোপার্নিকাস অর্থের পরিমাণের তত্ত্ব বিকাশ করে এবং এর প্রথম দিকের জ্ঞাত রূপটি বলে গ্রেশামের আইন: ("খারাপ অর্থ ডুবে যায়")।[124]


17 শতকের

·         1600 – উইলিয়াম গিলবার্টপৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র

·         1608 - একটি এর প্রথম রেকর্ড অপটিক্যাল টেলিস্কোপ

·         1609 – জোহানেস কেপলার: প্রথম দুই গ্রহের গতি আইন

·         1610 – গ্যালিলিও গ্যালিলিসাইড্রেয়াস নুনুসিয়াস: দূরবীণ পর্যবেক্ষণ

·         1614 – জন নেপিয়ার: ব্যাবহার লগারিদম গণনার জন্য[125]

·         1619 – জোহানেস কেপলার: তৃতীয় গ্রহের গতি আইন

·         1620 - প্রথম উপস্থিতি যৌগিক মাইক্রোস্কোপ ইউরোপ

·         1628 – উইলবর্ড স্নেলিয়াস: অপসারণ আইন হিসাবে পরিচিত স্নেলের আইন

·         1628 – উইলিয়াম হার্ভেরক্ত সঞ্চালন

·         1638 – গ্যালিলিও গ্যালিলি: শরীরের পতনের আইন

·         1643 – ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেল্লি পারদ আবিষ্কার করে ব্যারোমিটার

·         1662 – রবার্ট বয়েলবয়েলের আইন এর আদর্শ গ্যাস

·         1665 – দ্য রয়্যাল সোসাইটির দার্শনিক লেনদেন প্রথম পিয়ার পর্যালোচনা বৈজ্ঞানিক জার্নাল প্রকাশিত।

·         1665 – রবার্ট হুক: আবিষ্কার কোষ

·         1668 – ফ্রান্সেস্কো রেডি: অসম্পূর্ণ ধারণা স্বতঃস্ফূর্ত প্রজন্ম

·         1669 – নিকোলাস স্টেনো: প্রস্তাব দেয় জীবাশ্ম জৈব অবশেষ, পলির স্তরগুলিতে এম্বেড থাকে basis স্ট্রিটগ্রাফি

·         1669 – জান সোয়ামারডামএপিজেনেসিস ভিতরে পোকামাকড়

·         1672 – স্যার আইজ্যাক নিউটন: যে সাদা আবিষ্কার আলো ইহা একটি বর্ণালী স্বতন্ত্র বর্ণের মিশ্রণ রশ্মি

·         1673 – ক্রিস্টিয়ান হিউজেন্স: দোলক সিস্টেম এবং দুল ঘড়ির নকশা প্রথম গবেষণা

·         1675 – লাইবনিজনিউটনঅনন্য ক্যালকুলাস

·         1675 – অ্যান্টন ভ্যান লিয়ুয়েনহোকে: পর্যবেক্ষণ অণুজীব একটি পরিশোধিত ব্যবহার সাধারণ মাইক্রোস্কোপ

·         1676 – ওলে রামার: প্রথম পরিমাপ আলোর গতি

·         1687 – স্যার আইজ্যাক নিউটন: এর শাস্ত্রীয় গাণিতিক বিবরণ মৌলিক শক্তি এর সর্বজনীন মাধ্যাকর্ষণ এবং তিনটি শারীরিক গতির আইন

18 তম শতাব্দী

·         1735 – কার্ল লিনিয়াস গাছগুলিকে শ্রেণিবদ্ধ করার জন্য একটি নতুন সিস্টেমের বর্ণনা দিয়েছেন সিস্টেমমা ন্যাচুরাই

·         1745 – ইয়াল্ড জর্জেন জর্জি ভন ক্লেইস্ট প্রথম ক্যাপাসিটারলেডেন জার

·         1750 – জোসেফ ব্ল্যাক: বর্ণনা সুপ্ত তাপ

·         1751 – বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনবজ্র হয় বৈদ্যুতিক

·         1755 – ইমানুয়েল কান্ত: বায়বীয় হাইপোথিসিস ইন সর্বজনীন প্রাকৃতিক ইতিহাস এবং স্বর্গের তত্ত্ব

·         1761 – মিখাইল লোমনোসভ: আবিষ্কার শুক্রের পরিবেশ

·         1763 – টমাস বয়েস: এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করে বেয়েসের উপপাদ্য, জন্য পথ প্রশস্ত বায়েশিয়ান সম্ভাবনা

·         1771 – চার্লস মেসিয়ের: জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত বস্তুর ক্যাটালগ প্রকাশ করে (মেসিয়ার অবজেক্টস) এখন গ্যালাক্সি, স্টার ক্লাস্টার এবং নীহারিকা অন্তর্ভুক্ত হিসাবে পরিচিত।

·         1778 – আন্টোইন ল্যাভয়েসিয়ার (এবং জোসেফ প্রিস্টলি): অক্সিজেনের আবিষ্কার শেষের দিকে নিয়ে যায় ফ্লোজিস্টন তত্ত্ব

·         1781 – উইলিয়াম হার্শেল আবিষ্কার আবিষ্কার ইউরেনাস, জ্ঞাত সীমানা প্রসারিত সৌর জগৎ আধুনিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো

·         1785 – উইলিয়াম উইথিং: ফক্সগ্লোভ ব্যবহারের প্রথম সুনির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট প্রকাশ করে (ডিজিটালিস) চিকিত্সা জন্য জ্বরযুক্ত

·         1787 – জ্যাক চার্লসচার্লসের আইন এর আদর্শ গ্যাস

·         1789 – আন্টোইন ল্যাভয়েসিয়ার: আইন জনগনের আলাপজন্য ভিত্তি রসায়ন, এবং আধুনিক রসায়নের সূচনা

·         1796 – জর্জেস কুভিয়ার: প্রতিষ্ঠা বিলুপ্তি সত্য হিসাবে

·         1796 – এডওয়ার্ড জেনারছোট পক্স .তিহাসিক অ্যাকাউন্টিং

·         1796 – হানাওকা সেশি: বিকাশ ঘটে সাধারণ অবেদন

·         1800 – আলেসান্দ্রো ভোল্টা: আবিষ্কার বৈদ্যুতিন রাসায়নিক সিরিজ এবং আবিষ্কার ব্যাটারি

19 তম শতক

·         1802 – জিন-ব্যাপটিস্ট ল্যামার্ক: টেলিওলজিকাল বিবর্তন

·         1805 – জন ডালটনপারমাণবিক তত্ত্ব ভিতরে (রসায়ন)

·         1820 – হ্যানস ক্রিশ্চিয়ান আর্স্টেড আবিষ্কার করে যে একটি তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি বিদ্যুত এবং চৌম্বকত্বের মধ্যে গভীর সম্পর্ক স্থাপন করে, একটি কম্পাসের সুইকে প্রতিফলিত করবে (তড়িচ্চুম্বকত্ব).

·         1820 - মাইকেল ফ্যারাডে এবং জেমস স্টোডার্ড সঙ্গে লোহা লোহা আবিষ্কার ক্রোমিয়াম উত্পাদন করে মরিচা রোধক স্পাত জারণ উপাদান প্রতিরোধী (মরিচা).

·         1821 – টমাস জোহান সিবেক এর সম্পত্তি পর্যবেক্ষণকারী সর্বপ্রথম অর্ধপরিবাহী

·         1824 – কার্নোট: বর্ণিত কার্নোট চক্র, আদর্শ তাপ ইঞ্জিন

·         1824 - জোসেফ এস্পদিন বিকাশ ঘটে পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (কংক্রিট), এক ভাটায় স্থল চুনাপাথর, কাদামাটি এবং জিপসাম গরম করে।

·         1827 – জর্জি ওহমওম এর আইন (বিদ্যুৎ)

·         1827 – আমদেও অ্যাভোগাড্রোঅ্যাভোগাড্রোর আইন (গ্যাস আইন)

·         1828 – ফ্রিডরিচ ওহেলার সংশ্লেষিত ইউরিয়াখণ্ডন করা হচ্ছে প্রাণবন্ততা

·         1830 – নিকোলাই লোবাচেভস্কি তৈরি নন-ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি

·         1831 – মাইকেল ফ্যারাডে আবিষ্কার বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় আনয়ন

·         1833 – আনসেলমে পাইেন প্রথম এনজাইম বিচ্ছিন্ন করেডায়াস্টেস

·         1837 - চার্লস ব্যাবেজ একটি নির্মাণের জন্য একটি নকশা প্রস্তাব টিউরিং সম্পূর্ণ, সাধারণ উদ্দেশ্যে কম্পিউটার, বলা যেতে হবে বিশ্লেষণ ইঞ্জিন.

·         1838 – ম্যাথিয়াস শ্লেইডেন: সমস্ত গাছপালা দিয়ে তৈরি কোষ

·         1838 – ফ্রিডরিচ বেসেল: প্রথম সফল পরিমাপ তারার প্যারাল্যাক্স (তারাতে 61 সাইগনি)

·         1842 – খ্রিস্টান ডপলারডপলার এফেক্ট

·         1843 – জেমস প্রেসকট জোল: আইন শক্তির নিত্যতা (থার্মোডিনামিক্সের প্রথম আইন), এছাড়াও 1847 - হেলমহল্টজ, শক্তির নিত্যতা

·         1846 – জোহান গটফ্রাইড গ্যাল এবং হেইনরিচ লুই ডি'আররেস্ট: আবিষ্কার নেপচুন

·         1847 - জর্জ বুলে: প্রকাশ করে লজিকের গাণিতিক বিশ্লেষণ, সংজ্ঞায়িত বুলিয়ান বীজগণিত; তার 1854 এ সংশোধিত চিন্তার আইন.

·         1848 – লর্ড কেলভিনঅবশ্যই জিরো

·         1856 - রবার্ট ফোরস্টার মুশেট decarbonisation জন্য একটি প্রক্রিয়া বিকাশ, এবং লোহা পুনরায় কার্বনেসীকরণ, একটি গণনা পরিমাণের যোগ সম্পূর্ণ spiegeleisen, সস্তা, ধারাবাহিকভাবে উচ্চ মানের উত্পাদন করতে ইস্পাত.

·         1858 – রুডল্ফ ভার্চোকোষ কেবল প্রাক-বিদ্যমান কোষ থেকে উত্থিত হতে পারে

·         1859 – চার্লস ডারউইন এবং আলফ্রেড ওয়ালেস: তত্ত্বের বিবর্তন দ্বারা প্রাকৃতিক নির্বাচন

·         1861 – লুই পাস্তুরজীবাণু তত্ত্ব

·         1861 – জন টিন্ডল: র‌্যাডিয়েন্ট এনার্জি সম্পর্কিত পরীক্ষা যা গ্রিনহাউস প্রভাবকে শক্তিশালী করে rein

·         1864 – জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল: তত্ত্বের তড়িচ্চুম্বকত্ব

·         1865 – গ্রেগর মেন্ডেলউত্তরাধিকার আইন মেন্ডেলেরজন্য ভিত্তি জেনেটিক্স

·         1865 – রুডল্ফ ক্লাসিয়াস: সংজ্ঞা এনট্রপি

·         1868 - রবার্ট ফোরস্টার মুশেট সঙ্গে alloying ইস্পাত আবিষ্কার টংস্টেন একটি শক্ত, আরও টেকসই খাদ উত্পাদন করে।

·         1869 – দিমিত্রি মেন্ডেলিভপর্যায় সারণি

·         1871 – লর্ড রেলেইগআকাশ বিকিরণ বিচ্ছুরিত (রায়লে ছড়িয়ে ছিটিয়ে) ব্যাখ্যা করে কেন আকাশ নীল দেখা যায়

·         1873 – জোহানেস ডিদারিক ভ্যান ডার ওয়ালস: আন্তঃআণুবিবাহী শক্তি গণনকারী সর্বপ্রথম: দ্য ভ্যান ডের ওয়েলস বল.

·         1873 – ফ্রেডরিক গুথ্রি আবিষ্কার তাপীয় নির্গমন.

·         1873 – উইলফবি স্মিথ আবিষ্কার ফটোকন্ডাকটিভিটি.

·         1875 – উইলিয়াম ক্রুকস উদ্ভাবিত ক্রুকস টিউব এবং অধ্যয়ন ক্যাথোড রশ্মি

·         1876 – জোশিয়ার উইলার্ড গিবস প্রতিষ্ঠিত রাসায়নিক তাপবিদ্যুৎবিদ্যা, দ্য ফেজ বিধি

·         1877 – লুডভিগ বোল্টজমান: পরিসংখ্যান সংজ্ঞা এনট্রপি

·         1880s - জন হপকিনসন বিকাশ ঘটে তিন ধাপে বৈদ্যুতিক সরবরাহ, গাণিতিকভাবে প্রমাণ করে যে কীভাবে একাধিক এসি ডায়নামোসকে সমান্তরালে সংযুক্ত করা যায়, টংস্টেন যুক্ত করে স্থায়ী চৌম্বক এবং ডায়নামো দক্ষতা উন্নত করে এবং তাপমাত্রা কীভাবে চৌম্বকতাকে প্রভাবিত করে তা বর্ণনা করে (হপকিনসন প্রভাব).

·         1880 – পিয়েরি কুরি এবং জ্যাক কিউরিপাইজোইলেক্ট্রিটি

·         1884 – জ্যাকবাস হেনরিকাস ভ্যান 'টি হফ: সমাধানগুলিতে রাসায়নিক গতিশীলতা এবং ওসোম্যাটিক চাপের আইন আবিষ্কার করেছেন (তাঁর রচনায় "এটিউডস ডি ডায়নামিক চিমিক")।

·         1887 – অ্যালবার্ট এ। মাইকেলসন এবং এডওয়ার্ড ডব্লু। মুরলিaether জন্য প্রমাণ অভাব

·         1888 – ফ্রিডরিচ রেইনিতজার আবিষ্কার তরল স্ফটিক.

·         1892 – দিমিত্রি ইভানভস্কি প্রথমবার আবিষ্কার ভাইরাস

·         1895 – উইলহেম কনরাড রন্টজেন আবিষ্কার এক্স-রে

·         1896 – হেনরি বেকেরেল আবিষ্কার তেজস্ক্রিয়তা

·         1896 – সোভান্তে আরহেনিয়াস এর প্রাথমিক নীতিগুলি গ্রহণ করে গ্রিন হাউজের প্রভাব.

·         1897 – জে.জে. থমসন আবিষ্কার বৈদ্যুতিন ভিতরে ক্যাথোড রশ্মি

·         1898 – মার্টিনাস বিঞ্জেরিনেক: হোস্টে সংক্রামক একটি ভাইরাস সংক্রামক হিসাবে উপস্থিত হয়েছিল - এবং এটি কেবলমাত্র বিষ নয় এবং এটিকে "ভাইরাস" নাম দিয়েছে

·         1898 – জে.জে. থমসন প্রস্তাবিত বরই পুডিং মডেল একটি পরমাণুর

20 শতকের

·         1905 – আলবার্ট আইনস্টাইন: তত্ত্ব বিশেষ আপেক্ষিকতা, এর ব্যাখ্যা ব্রোমিন, এবং ফটোয়েলেক্ট্রিক প্রভাব

·         1906 – ওয়ালথার নর্নস্টথার্মোডিনামিক্সের তৃতীয় আইন

·         1907 – আলফ্রেড বার্থহেমআরসফেনামাইন, প্রথম আধুনিক কেমোথেরাপিউটিক এজেন্ট

·         1909 – ফ্রিটজ হ্যাবারহবার প্রক্রিয়া অ্যামোনিয়া শিল্প উত্পাদন জন্য

·         1909 – রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান: পরিচালনা করে তেল ড্রপ পরীক্ষা এবং একটি ইলেকট্রনের উপর চার্জ নির্ধারণ করে

·         1910 – উইলিয়ামিনা ফ্লেমিং: প্রথম শ্বেত বামন40 এরদানী বি

·         1911 – আর্নেস্ট রাদারফোর্ডপারমাণবিক নিউক্লিয়াস

·         1911 – হাইক কামারলিংহ ওননেসসুপারকন্ডাকটিভিটি

·         1912 – আলফ্রেড ওয়েজনারমহাদেশীয় প্রবাহ

·         1912 – ম্যাক্স ভন লাউ : এক্স-রে বিচ্ছিন্নতা

·         1912 – ভেষ্টো স্লিফার : গ্যালাকটিক redshift

·         1912 – হেনরিটা হান ল্যাভিটসিফিড পরিবর্তনশীল পিরিয়ড-আলোকসজ্জা সম্পর্ক

·         1913 – হেনরি মোসলেি: সংজ্ঞায়িত পারমাণবিক সংখ্যা

·         1913 – নীলস বোহরপরমাণুর মডেল

·         1915 – আলবার্ট আইনস্টাইন: তত্ত্ব সাধারণ আপেক্ষিকতা -- ডেভিড হিলবার্ট

·         1915 – কার্ল শোয়ার্জস্কাইল্ড: শোয়ার্জচাইল্ড ব্যাসার্ধের আবিষ্কার সনাক্তকরণের দিকে পরিচালিত করে কালো গহ্বর

·         1918 – এমি নোথারনোথরের উপপাদ্য - শর্তাদি যার অধীনে সংরক্ষণ আইনগুলি বৈধ

·         1920 – আর্থার এডিংটনস্টার্লার নিউক্লিওসিন্থেসিস

·         1922 – ফ্রেডরিক ব্যান্টিংচার্লস সেরাজেমস কলিপজন ম্যাকলেড: বিচ্ছিন্নতা এবং উত্পাদন ইনসুলিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে

·         1924 – ওল্ফগ্যাং পাওলি: কোয়ান্টাম পাওলি বর্জন নীতি

·         1924 – এডউইন হাবল: আবিষ্কার যে মিল্কি ওয়ে অনেক ছায়াপথের মধ্যে একটি মাত্র

·         1925 – এরউইন শ্রিডিনগারশ্রাদিনগার সমীকরণ (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)

·         1925 – সিসিলিয়া পায়েন-গাপোসকিন: আবিষ্কার সূর্য রচনা এবং সেটা হাইড্রোজেন মহাবিশ্বে সবচেয়ে প্রচুর উপাদান

·         1927 – ওয়ার্নার হাইজেনবার্গঅনিশ্চয়তা নীতি (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)

·         1927 – জর্জেস লেম্যাট্রে: তত্ত্বের বিগ ব্যাং

·         1928 – পল ডিরাকডেরাক সমীকরণ (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)

·         1929 – এডউইন হাবলহাবলের আইন প্রসারণের বিশ্ব

·         1929 – আলেকজান্ডার ফ্লেমিংপেনিসিলিন, প্রথম বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক

·         1929 – লার্স অনসাগরপারস্পরিক সম্পর্ক, সম্ভাব্য চতুর্থ থার্মোডিনামিক্স আইন

·         1930 – সুব্রাহ্মণ্য চন্দ্রশেখর তার আবিষ্কার উপাধি সীমা a এর সর্বাধিক ভর শ্বেত বামন তারা

·         1931 – কার্ট গডেলঅসম্পূর্ণতা উপপাদ্য প্রথাগত axiomatic সিস্টেম অসম্পূর্ণ প্রমাণ

·         1932 – জেমস চাদউইক: আবিষ্কার নিউট্রন

·         1932 – কার্ল গুথে জানস্কি প্রথম আবিষ্কার জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত রেডিও উত্সধনু এ

·         1932 – আর্নেস্ট ওয়ালটন এবং জন ককক্রফ্টকেন্দ্রকীয় বিদারণ প্রোটন বোমাবর্ষণ দ্বারা

·         1934 – এনরিকো ফার্মিকেন্দ্রকীয় বিদারণ নিউট্রন বিকিরণ দ্বারা

·         1934 – ক্লাইভ ম্যাককেক্যালোরি সীমাবদ্ধতা অন্যের সর্বাধিক জীবনকাল প্রসারিত করে প্রজাতি

·         1938 – অটো হ্যানলিস মিটনার এবং ফ্রিটজ স্ট্রেসম্যানকেন্দ্রকীয় বিদারণ ভারী নিউক্লিয়াস এর

·         1938 – আইসিডোর রাবিপারমাণবিক চৌম্বকীয় অনুরণন

·         1943 – ওসওয়াল্ড অ্যাভেরি প্রমাণিত ডিএনএ এর জিনগত উপাদান ক্রোমোজোম

·         1945 – হাওয়ার্ড ফ্লোরি এর ব্যাপক উত্পাদন পেনিসিলিন

·         1947 – উইলিয়াম শকলেজন বার্দিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেন প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করুন

·         1948 – ক্লড এলউড শ্যানন: 'যোগাযোগের একটি গাণিতিক তত্ত্ব' একটি সেমিনাল পেপার তথ্য তত্ত্ব.

·         1948 – রিচার্ড ফেনম্যানজুলিয়ান শুইঞ্জারপাপ-ইটিয়েরো টমোনগা এবং ফ্রিম্যান ডাইসনকোয়ান্টাম বৈদ্যুতিনবিদ্যার

·         1951 – জর্জ অটো গে প্রথম ক্যান্সার সেল লাইন প্রচার করেহেলা

·         1952 – জোনাস সাল্ক: প্রথম বিকাশ এবং পরীক্ষিত পোলিও টিকা

·         1952 – স্ট্যানলি মিলার: প্রারম্ভিক পৃথিবীর সময় উপস্থিত পরিস্থিতিতে প্রাথমিক স্তরের স্যুপ থেকে জীবনের বিল্ডিং ব্লকগুলি উত্থাপিত হতে পারে তা প্রদর্শিত হয়েছিল মিলার ইউরি পরীক্ষা

·         1952 – ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার: যে প্রদর্শিত প্রোটিন এর ক্রম হয় অ্যামিনো অ্যাসিড

·         1953 – জেমস ওয়াটসনফ্রান্সিস ক্রিকমরিস উইলকিন্স এবং রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন: হেলিকাল কাঠামো ডিএনএজন্য ভিত্তি আণবিক জীববিজ্ঞান

·         1962 – রিকার্ডো গিয়াককনি এবং তার দলটি প্রথম আবিষ্কার করে মহাজাগতিক এক্স-রে উত্সবৃশ্চিক এক্স -২

·         1963 – লরেন্স মর্লিফ্রেড ভাইন, এবং ড্রামমন্ড ম্যাথিউস: প্রমাণ হিসাবে সমুদ্রের ভূত্বক মধ্যে প্যালোম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ প্লেট টেকটোনিক্স (ভাইন ম্যাথিউস মর্লে হাইপোথিসিস).

·         1964 – মারে জেল-মান এবং জর্জ জুইগ: পোস্টুলেটস কোয়ার্কস নেতৃস্থানীয় স্ট্যান্ডার্ড মডেল

·         1964 – আরনো পেনজিয়াস এবং রবার্ট উড্রো উইলসন: সনাক্তকরণ সিএমবিআর জন্য পরীক্ষামূলক প্রমাণ প্রদান বিগ ব্যাং

·         1965 – লিওনার্ড হেইফ্লিক: সাধারণ কোষগুলি কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার বিভক্ত করে: হায়ফ্লিক সীমা

·         1967 – জোসলিন বেল বার্নেল এবং অ্যান্টনি হিউশ আগে আবিষ্কার পালসার

·         1967 – ভেলা পারমাণবিক পরীক্ষার সনাক্তকরণ উপগ্রহগুলি প্রথম আবিষ্কার করে গামা-রে ফেটে গেল

·         1970 - জেমস এইচ। এলিস "অ গোপনীয় এনক্রিপশন" হওয়ার সম্ভাবনাটিকে আরও সাধারণভাবে বলা হয় পাবলিক-কি ক্রিপ্টোগ্রাফি, একটি ধারণা যা তার দ্বারা প্রয়োগ করা হবে GCHQ সহকর্মী ক্লিফোর্ড ককস 1973 সালে, আরএসএ অ্যালগরিদম হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠবে কী তৃতীয় সহকর্মীর সাথে মূল বিনিময় ম্যালকম জে উইলিয়ামসন, 1975 সালে।

·         1971 – কোষ স্থাপন করুন মস্তিষ্ক দ্বারা আবিষ্কার করা হয় জন ও'কিফ

·         1974 – রাসেল অ্যালান হালসে এবং জোসেফ হুটন টেলর, জুনিয়র জন্য পরোক্ষ প্রমাণ আবিষ্কার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ বিকিরণ মধ্যে হুলসে টেলর বাইনারি

·         1977 – ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার ব্যবহার করে কোনও জীবের প্রথম ডিএনএ জিনোমকে সিক্যুয়েন্স করে স্যাঞ্জার সিকোয়েন্সিং

·         1980 – ক্লাউস ভন ক্লিটজিং আবিষ্কার কোয়ান্টাম হল প্রভাব.

·         1982 – ডোনাল্ড সি ব্যাকার ইত্যাদি। প্রথম আবিষ্কার করুন মিলিসেকেন্ড পালসার

·         1983 – কেরি মুলিস আবিষ্কার করে পলিমারেজ চেইন প্রতিক্রিয়া, একটি মূল আবিষ্কার আণবিক জীববিজ্ঞান.

·         1986 – কার্ল মোলার এবং জোহানেস বেদনারজ: আবিষ্কার উচ্চ-তাপমাত্রা সুপারকন্ডাকটিভিটি.

·         1988 – বার্ট ভ্যান উইস [এনএল] এবং টিউ ডিফল্ট এবং ফিলিপস রিসার্চের সহকর্মীরা এটি আবিষ্কার করেছিলেন পরিমিত পরিবাহিতা একটি দ্বিমাত্রিক ইলেকট্রন গ্যাসে।

·         1992 – আলেকসান্দার ওলজকজান এবং ডেল ফ্রেইল প্রথম পালসার গ্রহগুলি পর্যবেক্ষণ করুন (এটি ছিল সৌরজগতের বাইরে গ্রহগুলির প্রথম নিশ্চিত আবিষ্কার)

·         1994 – অ্যান্ড্রু ওয়াইলস প্রমাণিত ফারম্যাট এর শেষ উপপাদ্য

·         1995 – মিশেল মেয়র এবং দিদিয়ের কোয়েলোজ অবশ্যই প্রথম পর্যবেক্ষণ অতিরিক্ত গ্রহ প্রায় প্রধান ক্রম তারকা

·         1995 – এরিক কর্নেলকার্ল উইম্যান এবং ওল্ফগ্যাং কেটারল প্রথম প্রাপ্ত বোস-আইনস্টাইন কনডেন্সেট পারমাণবিক গ্যাস সহ, একটি অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় পদার্থের পঞ্চম অবস্থা হিসাবে ডাকা হয়।

·         1996 – রোজলিন ইনস্টিটিউটডলি ভেড়া ক্লোন করা হয়েছিল।[126]

·         1997 – সিডিএফ এবং ডি এ পরীক্ষায় ফর্মিলাবশীর্ষ কোয়ার্ক.

·         1998 – সুপারনোভা কসমোলজি প্রকল্প এবং হাই-জেড সুপারনোভা অনুসন্ধান দল: আবিষ্কার মহাবিশ্বের ত্বরণ সম্প্রসারণ / অন্ধকার শক্তি.

·         2000 - দ্য তাউ নিউট্রিনো দ্বারা আবিষ্কৃত হয় সহযোগিতা ডোনট করুন

একবিংশ শতাব্দী

আরো দেখুন: বিজ্ঞানের বছরের তালিকা § 2000s, এবং বছরের ব্রেকথ্রু § বছরের ব্রেকথ্রু

·         2001 - এর প্রথম খসড়া হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট প্রকাশিত হয়

·         2003 – গ্রিগরি পেরেলম্যান এর প্রমাণ উপস্থাপন পয়েন্টকারি অনুমান.

·         2004 - আন্দ্রে গেইম এবং কনস্ট্যান্টিন নভোসেলভ বিচ্ছিন্ন গ্রাফিন, কার্বন পরমাণুর এক monolayer, এবং এর কোয়ান্টাম বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য অধ্যয়ন।

·         2005 – গ্রিড কোষ মস্তিষ্ক দ্বারা আবিষ্কার করা হয় এডওয়ার্ড মসার এবং মে-ব্রিট মোসার.

·         2010 - প্রথম স্ব-প্রতিলিপি, সিন্থেটিক ব্যাকটেরিয়াল কোষ তৈরি করা হয়।[127]

·         2010 - নিয়ান্ডারথাল জিনোম প্রকল্প প্রাথমিক জেনেটিক প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন যে অন্তঃসংশ্লিষ্টতা সম্ভবত সংঘটিত হয়েছিল এবং নিয়ানডারথাল সংমিশ্রণের একটি ছোট্ট কিন্তু উল্লেখযোগ্য অংশ আধুনিক অ-আফ্রিকান জনগোষ্ঠীতে উপস্থিত রয়েছে।[হদফ ঘ]

·         2012 – হিগস বোসন এ আবিষ্কার হয় সিআরএন (নিশ্চিত 99.999%)

·         2012 – ফোটোনিক অণু এ আবিষ্কার করা হয় এমআইটি

·         2014 – বিদেশী হ্যাড্রন এলএইচসিবিতে আবিষ্কার করা হয়

·         2015 - তরল এর ট্রেস জল আবিষ্কার মঙ্গল[128] (যেহেতু 2017 থেকে নাসার প্রতিবেদনে খণ্ডিত!)[129]

·         2016 - দ্য লিগো দল সনাক্ত মহাকর্ষীয় তরঙ্গ একটি ব্ল্যাক হোল সংযুক্তি থেকে

·         2017 - মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গ সংকেত GW170817 দ্বারা পালন করা হয়েছিল লিগো/কুমারী সহযোগিতা এটি মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ইভেন্টের প্রথম উদাহরণ যা মহাকাশ টেলিস্কোপের মতো একইসাথে বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় সংকেত থাকতে দেখা গিয়েছিল হাবল ইভেন্টটি থেকে আগত আলোগুলি পর্যবেক্ষণ করেছে, যার ফলে মাল্টি-ম্যাসেঞ্জার জ্যোতির্বিদ্যার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী mar[130][131][132]

·         2019 - প্রথমবার ব্ল্যাকহোলের চিত্র ধরা পড়ে captured, এক সাথে একত্রে ছবি তোলার জন্য আটটি আলাদা টেলিস্কোপ ব্যবহার করে, অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট পারমাণবিক ঘড়ি সমেত time

·         2020 - নাসা এবং সোফিয়া (ইনফ্রারেড জ্যোতির্বিজ্ঞানের স্ট্র্যাটোস্ফেরিক অবজারভেটরি) চাঁদের বৃহত্তম দৃশ্যমান গর্তের মধ্যে প্রায় 12 জলের তলদেশের জল আবিষ্কার করেছিল। এটি মহাকাশে প্রবেশের জন্য নতুন প্রেরণার জন্ম দিয়েছে। আমরা জল আবিষ্কার করতে থাকি যা আমরা প্রাথমিকভাবে চিন্তা করেছিলাম তার চেয়ে বেশি সাধারণ। [133] 

কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল

আকাশ-পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হলো? এর আগে কি ছিল? বস্তু/পদার্থের সৃষ্টি কিভাবে? অণু-পরমাণু কি? এগুলি আসলে কি? ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন-এসব কি? এগুলো কোন্ বল (ফোর্স) দ্বারা এবং কিভাবে একত্রিত অবস্থায় থাকে? প্রচন্ড গতিতে ঘূর্ণায়মান গ্যালাস্কিতে বিদ্যমান নক্ষত্রগুলো ছিটকে পড়ে না কেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পদার্থবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হল কসমোলজিক্যাল (মহাজাগতিক) স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব।

এই কসমোলজিক্যাল (মহাজাগতিক) স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব সূত্রে আমরা জানতে পারি যে, আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে সেগুলো সবই বিভিন্ন প্রকার অণু-পরমাণু দ্বারা গঠিত। এক বা একাধিক পরমাণু একত্রিত হয়ে অণু গঠন করে, আর পরমাণু গঠিত হয় ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস, সেখানে সবগুলো প্রোটন ও নিউট্রন কেন্দ্রীভূত অবস্থায় থাকে, আর ইলেকট্রনগুলো এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে।

উল্লেখ্য, গত বিংশ শতাব্দীর সত্তুর দশকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড মডেলের আশাবাদ অনুযায়ী নতুন কিছু মৌলিক কণিকা আবিষ্কৃত হওয়ায় তত্ত্বটি আরও পাকাপোক্ত হয়। ১৯৭৭-এ বটম কোয়ার্ক, ১৯৯৫-এ টপ কোয়ার্ক ও ২০০০-এ টাউ নিউট্রিনো আবিষ্কৃত হয়। এদের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য স্ট্যান্ডার্ড মডেলের প্রত্যাশার সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। যেমনএ তত্ত্বে ডার্ক ম্যাটারের কোন স্থান রাখা হয়নি, এ তত্ত্ব মাধ্যাকর্ষণ বল ব্যাখ্যা করতে পারে না। তাছাড়া, চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকেও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না মৌলিক কণার ভরত্ব লাভের উৎসমূল। অধরাই ছিল দ্বিতীয় দশকের অর্থাৎ ২০১২ সনের ৩রা জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত। এ সময় পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত ছিলেন না বিগ ব্যাং পরবর্তী সময়ে ধারণাকৃত হিগস বোসন কণা  আদৌ বাস্তবতার মুখ দেখবে কি? এদ্বসত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্ব অপরিসীম, তাই একে বলা হয় প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব (Theory of almost everything)পদার্থবিজ্ঞানীদের মতে, সবগুলো মৌলিক বল একত্রিত করে একটি
সবকিছুর তত্ত্ব”-
(Theory of everything) বের করা সম্ভব।

সার্ণে কর্তৃক আবিস্কৃত হিগ্‌স বোসন: স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্বপূর্ণ  কণিকা

হিগ্‌স বোসন(God’s Partical) স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কণিকা, কারণ এটি ফোটন ও গ্লুওন বাদে অন্যান্য সকল কণিকার ভর থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে। ধারণা করা হয়, ভরের উৎপত্তি ঘটে মৌলিক কণিকার হিগ্‌স ক্ষেত্রে পরিভ্রমনের জন্য। এই হিগ্‌স ক্ষেত্রের ক্ষুদ্রতম অংশই হল হিগ্‌স বোসন। এর স্পিন হল ০। স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে, হিগ্‌স বোসন না থাকলে সকল কণিকাই ভরবিহীন হত। আলহামদুল্লিল্লাহ, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণের একদল বৈজ্ঞানিক অপেরা প্রজেক্টের মাধ্যমে....... বিগত ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার হিগস বোসন কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন

https://www.bigganbangla.com/স্ট্যান্ডার্ড-মডেল/

তথ্যসূত্রঃ   

১. http://physics.info/standar ২. http://h2g2.com/dna/h2g2/A666173 

 স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্বটি মূলত সত্তুরের দশকে পূর্ণতা পায়। এ মডেল অনুসারে কিছু মৌলিক কণিকা পদার্থ গঠন করে, যাদের ১. ফার্মিয়ন (ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির নামানুসারে) বলে এবং কিছু কণিকা বলের বাহক হিসেবে ক্রিয়া করে, যাদের ২. বোসন (ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোসের নামানুসারে) বলে।

মৌলিক কণিকাগুলোর কিছু বিশেষ ধর্ম

মৌলিক কণিকাগুলোর কিছু বিশেষ ধর্ম থাকে যেগুলো দ্বারা এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, যেমনঃ ১. ভর ২. বৈদ্যুতিক আধান, ৩. স্পিন ইত্যাদি

বোসন কণাঃ বোসনের স্পিন থাকে শূণ্য অথবা পূর্ণ সংখ্যা (০,,২.....)বোসন বর্জন নীতি অনুসরন না করায় সহযেই একে অপরকে ভেদ করতে পারে (যেমন আলো এবং অন্যান্য তড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ)। বোসন বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান অনুসরন করে।

বোসন মোট ২ প্রকার গেজ বোসন ও হিগ্‌স বোসন। গেজ বোসন বলের বাহক হিসেবে ক্রিয়া করে। এর স্পিন ১। মৌলিক বল চার প্রকার -  তড়িতচুম্বকীয় বল, সবল নিউক্লীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং মাধ্যাকর্ষন বল। গেজ বোসন প্রথম তিনটির সাথে সম্পর্কিত।

ফার্মিয়নঃ ফার্মিয়নের স্পিন থাকে পূর্ণ সংখ্যার অর্ধেক (১/২,৩/২,৫/২.....)। ফার্মিয়ন ফার্মি-ডিরাক পরিসংখ্যান এবং পাউলি-র বর্জন নীতি মেনে চলে। এ নীতি অনুসারে একাধিক ফার্মিয়ন একই সময়ে একই স্থানে অবস্থান করতে পারে না, ফলে বাস্তবেও আমরা দেখি এক বস্তু অন্য বস্তুকে ভেদ করে যেতে পারে না। ফার্মিয়ন মোট ১২ রকমের হয়, এদের প্রত্যেককে এক একটি স্বাদবিহীন ফ্লেভার [Flavor] বলে ১২টি ফার্মিয়নের আবার অনুরূপ ১২টি প্রতিকণিকা [Antiparticle] আছে (যেমন ইলেক্ট্রনের প্রতিকণিকা পজিট্রন)। ফার্মিয়নের মধ্যে দুইটা ভাগ আছে, ১. কোয়ার্ক এবং ২. লেপ্টন।

ফার্মিয়নের আরেকটি ভাগ হল লেপ্টন। এরা একা থাকতে পারে। সবচেয়ে পরিচিত লেপ্টন হল ইলেকট্রন eএছাড়াও মিউওন μ, টাউওন τ এবং এ তিনটির অনুরূপ নিউট্রিনো - ইলেকট্রন নিউট্রিনো νe, মিউওন নিউট্রিনো νμ, টাউওন নিউট্রিনো ντ লেপ্টনের অন্তর্ভুক্ত।

১২টি ফার্মিয়নকে আবার ৩টি জেনারেশনে ভাগ করা হয় – I, II এবং III.

১২টি ফার্মিয়নকে আবার ৩টি জেনারেশনে ভাগ করা হয় – I, II এবং III.

জেনারেশন  I-এর চেয়ে জেনারেশন  II-এর কণিকাগুলোর ভর বেশি, আবার জেনারেশন  II-এর চেয়ে জেনারেশন  III-এর কণিকাগুলোর ভর আরও বেশি। প্রত্যেক জেনারেশনের ভেতরে আবার কোয়ার্কের ভর লেপ্টনের চেয়ে বেশি। লেপ্টনের মধ্যে নিউট্রিনোগুলোর ভর সবচেয়ে কম, প্রায় নেই বললেই চলে। প্রত্যেক জেনারেশনের প্রথম কোয়ার্কের বৈদ্যুতিক আধান +২/৩, দ্বিতীয় কোয়ার্কের আধান -১/৩, ভারী লেপ্টনের আধান -১ আর নিউট্রিনোর কোন আধান নেই। প্রথম জেনারেশনের আধানযুক্ত কণিকাগুলো দিয়েই মূলত আমাদের চারপাশের জগত গঠিত। অন্যান্য জেনারেশনের আধানযুক্ত ভারী কণিকাগুলো শুধু অতি উচ্চশক্তিসম্পন্ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় এবং অতিদ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে হালকা স্থিত কণিকায় রুপান্তরিত হয়। আর আধানবিহীন নিউট্রিনোগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না এবং অন্যান্য কণিকার সাথে তেমন কোন প্রতিক্রিয়াই দেখায় না।

এই ধর্মের জন্য সাম্প্রতিক কালের আলোর-চেয়ে-দ্রুতগতির-কণার-অস্তিত্ব-নিয়ে-প্রশ্ন-তোলা আলোচিত অপেরা এক্সপেরিমেন্টে মিউওন নিউট্রিনো ব্যবহার করা হয়েছিল।

কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডিনামিক্স (QED)

তড়িৎচুম্বকীয় বল ক্রিয়া করে বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত কণিকাগুলোর মধ্যে। এর পাল্লা অসীম, শক্তি সবল নিউক্লীয় বলের চেয়ে কম কিন্তু দুর্বল নিউক্লীয় বলের চেয়ে বেশি। এর বাহক হল ফোটন γ, যার নিজের কোন ভর বা আধান নেই। এ সংক্রান্ত তত্ত্বকে কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডিনামিক্স (QED) বলে।

 সবল নিউক্লীয় বল ক্রিয়া

সবল নিউক্লীয় বল ক্রিয়া করে ভর, বৈদ্যুতিক আধান বা স্পিন সদৃশ মৌলিক কণিকার বিশেষ ধর্ম কালারযুক্ত কণিকা অর্থাৎ কোয়ার্কসমূহ ও গ্লুওন g-এর মধ্যে।

প্রতিটি কোয়ার্ক ৩ কালারের প্রতীকী রঙ হচ্ছে লাল, সবুজ ও নীল। ফ্লেভারের যেমন স্বাদ-গন্ধ নেই এই কালারের নামের সাথে দৃশ্যমান রঙের কোন সম্পর্ক নেই কোয়ার্ক কখনও একা থাকতে পারে না, সবসময় দুইটি (মেসন) বা তিনটির (ব্যারিয়ন) গ্রুপ গঠন করে। লাল, সবুজ ও নীল আলো মিলে যেমন রঙবিহীন বা সাদা আলো গঠন করে, তেমনি কোয়ার্কওএমনভাবে গ্রুপ গঠন করে যেন সবগুলো মিলে সাদা বা রঙবিহীন অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাই ব্যারিয়নে সবসময় থাকে লাল, সবুজ ও নীল কোয়ার্ক এবং মেসনে থাকে যে কোন একটি কালার ও তার অ্যান্টিকালার (অ্যান্টিকোয়ার্ক থেকে)।

বলে।

 

দুর্বল নিউক্লীয় বল: দুর্বল নিউক্লীয় বল ক্রিয়া করে ফ্লেভারযুক্ত কণিকা অর্থাৎ ফার্মিয়নের মধ্যে। এটি খুব দুর্বল বল এবং এর পাল্লা সবল নিউক্লীয় বলের চেয়েও ক্ষুদ্র, মাত্র ১০-১৮ মিটারের মত। এর দ্বারা পরমাণুর তেজষ্ক্রিয় ক্ষয় ব্যাখ্যা করা যায়। এর বাহক হল W+, W- Z0 বোসন (কোন কোন ক্ষেত্রে হিগ্‌স বোসনকেও ধরা হয়)। এদের নিজস্ব ভর আছে, এর মধ্যে Z0-এর ভর সবচেয়ে বেশি। এদের নিজস্ব আধানও আছে, W+-এর আধান +১, W--এর আধান -১ এবং Z0 আধান নিরপেক্ষ। দুর্বল নিউক্লীয় বল সংক্রান্ত তত্ত্বকে কোয়ান্টাম ফ্লেভারডিনামিক্স (QFD) বলে।

মাধ্যাকর্ষন বল: মাধ্যাকর্ষন বল ক্রিয়া করে সকল কণিকার মধ্যে। এটি খুবই দুর্বল বল, কিন্তু এর পাল্লা অসীম এবং সবসময়ই শুধুমাত্র আকর্ষণ করে। স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না এবং কখনও পারবেও না। ধারণা করা হয় এ বলেরও একটি বাহক আছে, এর প্রস্তাবিত নাম গ্র্যাভিটন। এটি একটি ভরবিহীন কণিকা যার স্পিন ২। মাধ্যাকর্ষন বল সংক্রান্ত তত্ত্বকে কোয়ান্টাম জিওমেট্রোডিনামিক্স (QGD) বা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটেশন বলে।

হিগ্‌স বোসন এবং স্ট্যান্ডার্ড মডেল

হিগ্‌স বোসন স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কণিকা, কারণ এটি ফোটন ও গ্লুওন বাদে অন্যান্য সকল কণিকার ভর থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে। ধারণা করা হয়, ভরের উৎপত্তি ঘটে মৌলিক কণিকার হিগ্‌স ক্ষেত্রে পরিভ্রমনের জন্য। এই হিগ্‌স ক্ষেত্রের ক্ষুদ্রতম অংশই হল হিগ্‌স বোসন। এর স্পিন হল ০। স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে, হিগ্‌স বোসন না থাকলে সকল কণিকাই ভরবিহীন হত। ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণে ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই অআনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে, হিগস বোসন কণার সন্ধান পাওয়া গেছে।

 স্ট্রিং থিওরীঃ স্ট্যান্ডার্ড মডেলের আশার আলো!

সত্তুরের দশকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সম্ভাবনাতত্ত্ব অনুযায়ী নতুন কিছু মৌলিক কণিকা আবিষ্কৃত হওয়ায় তত্ত্বটি আরও পাকাপোক্ত হয়। ১৯৭৭-এ বটম কোয়ার্ক, ১৯৯৫-এ টপ কোয়ার্ক ও ২০০০-এ টাউ নিউট্রিনো আবিষ্কৃত হয়। এদের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য বৈজ্ঞানিক আশাবাদের সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। যেমনএ তত্ত্বে ডার্ক ম্যাটারের কোন স্থান রাখা হয়নি, এ তত্ত্ব মাধ্যাকর্ষন বল ব্যাখ্যা করতে পারে না। এ সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্ব অপরিসীম, তাই একে বলা হয় প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব (Theory of almost everything)পদার্থবিজ্ঞানীদের মতে, সবগুলো মৌলিক বল একত্রিত করে একটি সবকিছুর তত্ত্বও (Theory of everything) বের করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আশার আলো দেখাচ্ছে স্ট্রিং থিওরি।

 https://www.bigganbangla.com/স্ট্যান্ডার্ড-মডেল/

তথ্যসূত্রঃ

১. http://physics.info/standard/

২. http://h2g2.com/dna/h2g2/A666173

 gnvwe‡ùviY  (Big Bang) NUvi c~‡e©Kvi Ae¯nvt

Computer simulation Gi gva¨‡g weÁvbxiv G wm×v‡šÍ DcbxZ nb †h, সম্পূর্ণ নাই/শুন্য/নিল(Nil)/জিরো(Zero) থেকে মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির সূচনার পূর্বে অর্থাৎ gnvwe‡ùviY(Big Bang) NUvi পূর্বে gnvkw³kvjx এক প্রকার Av‡jvK kw³B বিদ্যমান ছিল-যার বৈজ্ঞানিক নামঃ Ògnvm~¶è Av‡jvK weন্দুÓ (Highest Energetic Radiation) | G‡ZB mw¤§wjZfv‡e (Combinedly) wbwnZ wQj AvR‡Ki Avmgvb I hwgb ev c„w_ex| weÁvbx‡`i aviYv, cÖvq 1500 †KvwU †_‡K 2000 †KvwU ermi c~‡e© D³ Ògnvm~¶èÓ we›`ywU 10e.s.a ch©v‡q w¯’wZ jvf K‡iwQj| 1965 mv‡j cðvrc` wewKiY (Back Ground Radiation) Avwe¯‹v‡ii d‡j weÁvb G mZ¨ gvbe RvwZ‡K AeMZ Kiv‡Z m¶g nq †h, ïY¨ †_‡K m„ó D³ Highest Energetic Radiation bvgK gnvAv‡jvK †MvjKwU gnvwe‡ùviY  (Big Bang) Gi c~‡e© wÎgvwÎK Ae¯nvq weivRgvb wQj h_vt (1) Av‡jv (2) kw³ I (3) Zvc| GB mgq ZvcgvÎvi cwigvY wQj 1032 wWwMª †Kjwfb A_©vr 10,000 †KvwU, †KvwU, †KvwU, †KvwU wWwMª †Kjwfb|

gnvwe‡ùviY (Big Bang) NUvi cieZx© gyû‡Z©i Ae¯nvt


বৈজ্ঞানিক ভাষ্যমতেঃ Highest Energetic RadiationwUi gnvwe‡ùviY (big bang) NUvi ci gyû‡Z© ZvcgvÎv 1030k  †_‡K `ªæZ 1028 †Z †b‡g Av‡m ZLb (highest energetic photon) KwYKviv wb‡R‡`i g‡a¨ msNl© NwU‡q c`v_© KwYKv wn‡m‡e cÖ_g ev‡ii gZ Ô‡KvqvK©Õ Ges Gw›U †KvqvK© Gi Rb¥ †`q| AZtci ZvcgvÎv hLb Av‡iv wb‡P †b‡g 1013 †Kjwf‡b `vuovq ZLb †KvqvK© Ges Gw›U †Kvqv‡K©i g‡a¨ msNl© N‡U| G‡Z Dfq Gi e¨vcK aŸsm mvab N‡U Ges Aewkó †_‡K hvq wKQz †KvqvK©| Gici hLb ZvcgvÎv Av‡iv K‡g wM‡q 1010 †Kjwfb-G `uvovq ZLb 3wU †KvqvK© (1wU Avc †KvqvK© Ges 2wU WvDb †KvqvK©) wgwjZ n‡q †cÖvUb KwYKv (Proton Particle) Ges 3wU †KvqvK©(2wU Avc †KvqvK© Ges 1wU WvDb †KvqvK©) wgwjZ n‡q wbDUªb KwYKv (Neutron Particle) m„wó n‡Z _v‡K| Zvici ZvcgvÎv hLb 109 †Kjwfb-G †b‡g Av‡m ZLb cwi‡ek Av‡iv AbyKz‡j Avmvq m„ó †cÖvUb KwYKv I wbDUªb KwYKv ci®úi wgwjZ n‡q cÖ_gev‡ii gZ gnvwe‡k¦ GUwgK wbDwK¬ MwVZ n‡Z _v‡K| Gici ZvcgvÎv AviI K‡g wM‡q 108 †Kjwfb ZLb GUwgK wbDwK¬ gnvwe‡k¦ wew¶ß fv‡e Qz‡U Pjv B‡jKUªwbK KwYKv‡K (Electronic Particle) PZz©w`‡Ki K¶c‡_ aviY K‡i ফলে, cÖ_gev‡ii gZ AYy'i (atoms) m„wó nq| AviI c‡i hLb ZvcgvÎv 3,000 †Kjwf‡b DcbxZ nq ZLb gnvwe‡k¦i g~j msMVb M¨vjvw· (glaxy) m„wó n‡Z _v‡K| cieZx©‡Z Gi †fZi b¶Î, MÖn, DcMÖn BZ¨vw` m„wó n‡Z _v‡K| AZtci ZvcgvÎv hLb Av‡iv wbgœMvgx n‡q gvÎ 3 †Kjwf‡b †b‡g Av‡m ZLb mvwe©K cwi‡ek AbyK~‡j _vKvq c„w_ex‡Z MvQ-cvjv, Rxe-Rš‘ I cÖv‡Yi e¨vcK mgv‡ek mgvMg NU‡Z _v‡K-GB n‡”Q AvaywbK weÁvb I cÖhyw³i wek¦ m„wó I Zvi msMV‡bi BwZK_v (History of Universe)| GB wQj 2012 mv‡ji 4Vv RyjvB‡qi c~e© ch©šÍ mg‡qi wek¦ m…wóZ˦ Gi BwZK_v|  

m„wó ZË¡ welqK  STANDARD MODEL

c`v_© we`¨vi †h ZË¡wUi mvnv‡h¨ †Kvb e¯‘i f‡ii e¨vL¨v `uvo Kiv‡bv nq Zv‡K Òó¨vÛvW© g‡WjÓ standard model ejv nq| GB ó¨vÛvW© g‡WjwU Aw¯ÍZ¦kxj n‡Z n‡j cÖ‡qvRb c‡o Ggb GK AwZ cvigvYweK KYv hvi ‰eÁvwbK bvg ÒwnMm-‡evmb KYvÓ ev god’s particle | c`v_© we`¨vi GB ó¨vÛvW© g‡Wj Abymv‡i, gnvwe‡k¦i cÖwZwU e¯‘i fi m„wói cÖv_wgK wfwË n‡”Q GKwU ÒA`„k¨ KYvÓ| e¯‘i f‡ii g‡a¨ wfbœZvi KviYI GB A`„k¨ KYvwUB|

c`v‡_©i fi wKfv‡e ˆZwi nq Zv Rvb‡Z 1964 mvj †_‡K ïiæ nq M‡elYv| 2001 mv‡j G‡m M‡elKiv hy³iv‡óªi dvwg©j¨v‡ei "†UfvÆb" নামক hন্ত্রের মাধ্যমে IB KYvi †LuvR Ki‡Z ïiæ K‡ib| G KYvi †Luv‡R 2008 mv‡j cÖwZ‡hvwMZvq bv‡gb CERN Gi L¨vZbvgv M‡elKiv| 2011 mv‡j CERN Gi weÁvbxiv G KYvi cÖv_wgK Aw¯ÍZ¡ †Ui cvb|

D‡jøL¨, ÷¨vÛvW© g‡W‡ji m¦xK…Z 11wU †gŠwjK KYvi †LuvR cvIqv hvq A‡bK Av‡MB| 12Zg KYvwU Lyu‡R cvIqvi Rb¨ †evm-AvBb÷vBb-wcUvi wnMm Msiv ব্যাকুল n‡q D‡VwQj-hv Ae‡k‡l wcUvi wnM‡mi RxeÏkvq weMZ 4Vv RyjvB, 2012 Cmvã, eyaevi jvR© n¨vWªb †KvjvBWvi h‡š¿i mvnv‡h¨ CERN KZ…©K Avwe¯‹…Z nq eûj cÖZ¨vwkZ AwZcvigvbweK wnMm †evmb Z_v MW©m cvwU©‡Kj ev Avj¬vn m„ó KYv| (myenvbvjøvwn Iqv wenvg&w`wn myenvbvjøvwnj AvÕRxg)

e¯Ë/c`v_© G‡jv wK K‡i?

‰eÁvwbK M‡elYvg‡Z, gnvwe‡ùviY ev weM e¨vs cieZx© m`¨ m„ó gnvwek¦ hLb GKUz kxZj n‡jv, ZLb †mLv‡b m„wó nq A`„k¨ GK ai‡Yi ej (Force)-hv‡K ejv nq wnMm wdì (Higgos Field)| wnMm wd‡ì ˆZix nq AmsL¨ ¶z‡` KYv| GB wnMm wdì w`‡q Qz‡U hvIqv me KYv wnMm-†evm‡bi ms¯ú‡k© এসে ficÖvß nq| ficÖvß এই KYv-কে বলা হয় বস্তু বা c`v_© (Mattar)|

wnMm †evmb KYv Kx ?

“A subatomic particle called the “God’s particle” or Higgs boson Particle”.

AwZ cvigvbweK KYv‡K wnMm-†evmb KYv ejv nq|

wnMm-‡evmb KYvi ZvwË¡K aviK Ò‡evm-AvBb÷vBb Kb‡Wb‡mUÓ Z‡Ë¡i BwZK_vt

m‡Z¨›`ªbv_ emy, ঢাকাবাংলাদেশ t m¨vi RMw`k P›`ª emy †hgb †eZvi hš¿ Avwe¯‹v‡ii ¯ncwZ, †Zgb wnMm ‡evmb ev AwZcvigvbweK KYvi Aw¯Z‡Z¡i aviYvi †¶‡Î XvKv wek¦we`¨vjq, evsjv‡`k Gi c`v_© weÁv‡bi wk¶K m‡Z¨›`ªbv_ emy wQ‡jb Ab¨Zg cw_K…Z Ges Aci Rb n‡”Qb Rvg©vb weÁvbx AvjevU© AvB‡b÷vBb| Df‡qi †hŠ_ M‡elYvi djvdj-‡K ejv nq Ò‡evm-AvBb÷vBb Kb‡Wb‡mUÓ-hvi Dci wfwËkxj AvR‡Ki wnMm-‡evmb ev MW''m cvwU©‡Kj| G Kvi‡Y mv¤cÖwZKKv‡ji we‡k¦ mvov RvMv‡bv †h MWÕm cvwU©‡Kj ev wnMm-‡evmb KYvi Avwe¯‹vi n‡q‡Q তবে আবিস্কৃত এই কণার একক  bvgK n‡”Q Ò†evmb KYvÓ| m‡Z¨›`ªbv_ emy bv‡gi †klvsk ÔemyÕ cwiewZ©Z bvgwU n‡”Q Ô†evmbÕ|

AvjevU© AvBb÷vBb,Rvg©vbxt  1879 mv‡j Rvg©vbxi ÔDjgÕ bvgK kn‡i AvB‡b÷vB‡bi Rb¥| AveŸvi bvg †nig¨vb AvB‡b÷vBb| Kv‡Ri Aemi mg‡q 26 eQi eq‡m wZwb ¯nvb, mgq, e¯Íy, gnvKl© I Av‡jv wb‡q wPšÍv-M‡elYv Ki‡Z wM‡q 1905 mv‡j wZwb ÒmgqÓ (UvBg wW‡jkb) m¤c‡K© GK hyMvšZKix cÖeÜ cÖKvk K‡ib hvi bvg Òwe‡kl Av‡cw¶K ZË¡Ó ( Special theory of relativity)| D³ cÖe‡Ü wZwb D‡j¬­L K‡ib †h, mgq (UvBg) G‡KK R‡bi Rb¨ G‡KK Ae¯nv‡b Ae¯nvb K‡i| Gi ci Av‡iv GKwU M‡elYvj× cÖe‡Ü wZwb gZ cÖKvk K‡ib †h, Mass & Energy are rebound up with one another A_©vr c`v_© Ges kw³ c„_K bq eis Awfbœ| D‡j¬L¨, Av‡jvi MwZ‡Z `yÕ wU wecixZ gyLx †cÖvUb ev AwZ cvigvYweK KYvi g‡a¨ msNl© NwU‡q weMe¨vs ev gnvRvMwZK we‡õviY cieZx© Ae¯nvq wK wK m„wó n‡Z cv‡i Zv AvjevU© AvB‡b÷vBb w`we¨ Dcjw× Ki‡Zb| G DcjwׇZB wbwnZ wQj AvR‡Ki mvov RvMv‡bv Avwe¯K…Z ÒwnMm ‡evmbÓ bvgK AwZcvigvbweK KYvwU|

wnMm-‡evmb KYv Avwe¯‹v‡ii BwZK_vt

ÒwnMm&-‡evmbÓ নামক KYvটি weÁvbx‡`i Kv‡Q GKwU ÒnvB-†cv‡mwUK¨vjÓ KwYKv wn‡m‡e we‡ewPZ wQj| c`v_© weÁv‡bi we‡kl w_Iix standard model †_‡K weÁvbxiv G KYv m¤ú‡K© সম্যক aviYv cvb| সাধারণতঃ wnMm-†evm‡bi fi 125 †_‡K 126 Ges G KwYKvi w¯úb n‡”Q k~Y¨| wnMm-‡evmb KYv‡K ejv nq mycvi wm‡gwUªK (super cemetric) c`v_© hv-m„wói ïiæi mgqKvi cÖv_wgK KwYKv|

Aa¨vcK wcUvi wnMm কর্তৃক বস্তু/পদার্থের f‡ii Drm সম্পর্কে wnMm-‡evmন কণার বৈজ্ঞানিক e¨vL¨v

wnMm-‡evm‡bi AwPšÍ¨bxq ¸iæZ¡, f~wgKv I Ae`vb Ges Gi mÜv‡b weÁvbx‡`i cÖ‡Póv Ask wnmv‡e 1964 mv‡j GwWbeiv wek¦we`¨vj‡qi Aa¨vcK wcUvi wnMm বস্তু/পদার্থের f‡ii Drm wn‡m‡e wnMm-‡evm‡bi বৈজ্ঞানিক e¨vL¨v প্রদান K‡ib| wZwb e‡jb, Avgiv GKUv AvVv‡jv e¨vK MÖvDÛ †¶‡Îi K_v fve‡Z cvwi| KYv¸‡jv Gi ga¨ w`‡q hvIqvi mgq ficÖvß nq| Aek¨ Gi wcQ‡b cÖfveK wn‡m‡e KvR K‡i GKwU NUK KYv|
†h cÖwµqvq wnMm-‡evmb কণার Aw¯ÍZ¡ cÖgvwYZ n‡jv

ÔKYvÕ(PARTICLE) m¤úwK©Z MvwYwZK g‡W‡ji (mathmatical model) m~Îg‡Z, D”P MwZ‡Z †cÖvU‡bi m‡½ †cÖvU‡bi AvšÍtmsNl© NUv‡bv n‡j †ek wKQz †gŠwjK KYv Drcbœ nq| সেমতেCERN Gi jvR© n¨vWªb †KvjvBWvi h‡ন্ত্র D”P MwZ‡Z †cÖvU‡bi m‡½ †cÖvU‡bi AvšÍtmsNl© ঘটিয়ে †ek wKQz †gŠwjK KYv Drপাদন করা nq উৎপাদিত এই মৌলিক কণা-কে বলা হয় ÒwnMm&-‡evmbÓ কণা

D‡jøL¨, Av‡jvi MwZ‡Z `yÕwU wecixZ gyLx †cÖvUb ev AwZ cvigvYweK KYvi g‡a¨ msNl© NwU‡q weMe¨vs ev gnvRvMwZK we‡ùviY cieZx© Ae¯’vq wK wK m„wó n‡Z cv‡i Zv AvjevU© AvBb÷vBb Av‡MB e‡j hvb|

wnMm-‡evmb কণা' Aw¯ÍZ¡ cÖgvণে CERN Gi বিপুল আয়োজন

c`v_©we`iv wek¦vm K‡ib †h, inm¨gq wnMm-‡evm‡bi m‡½ msN‡l© wewfbœ gvÎvi fরের (Mass) Rb¥ nq| c`v_© weÁv‡bi G msµvšÍ †ek wKQz cÖkœ‡K mvg‡b †i‡L 1971 mvj †_‡K KYvZ¡iY hš¿ jvR© n¨vWªb KjvBWv‡i ev¯Íe cÖgv‡Yi D‡`¨vM †bqv nq | Z‡e 2008 mvj †_‡K GB KjvBWv‡ii Kvh©µg AvbyôvwbKfv‡e ïiæ nq|wecyj kw³m¤úbœ AwZ cvigvYweK KYvi Rb¥-ZË¡ Avwe¯‹vi Ki‡Z CERN Av‡qvRb K‡iwQj wekvj AvKv‡ii gnvcwiKíbv| GB cix¶v gvbe BwZnv‡m ïay ¸iæZ¡c~Y©B bq; e¨q eûjI e‡U| cÖv°wjZ e¨q ZrKvjxb cÖvq 500†KvwU cvDÛ Ges Zv‡Z Dc¯nvwcZ n‡q‡Q AšÍZt 60,000 (lvU nvRvi) Kw¤cDUvi|

    হিগস বোসন কণার নির্ভুল অস্তিত্ব প্রমাণে এর সর্বোচ্চ সতর্কতা

বস্তু-পদার্থজাত বিশ্ব সৃষ্টির নির্ভুল ও অভিন্ন রহস্য বা উৎসমূল আবিস্কারের মহৎ লক্ষ্যে বতমান বিশ্বের শীষ স্থানীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক বিশ্বের খ্যাতনামা weÁvbx‡`i-কে যথাক্রমে (১) a toroidal lhc apparatus (atlas) এবং () compact muon solenoid (cms) নামক দু'টি দলে বিভক্ত করা হয়। সম্পূর্ণ পৃথক ব্যবস্থাপনা  পরিচালনায় একদল-কে ‡R‡bfv Ges অপর দল-কে jÛনে নিয়োজিত করা হয়েছিল যাতে উভয় দল একে অপরের কার্যক্রম সম্পর্কে যেন বিন্দুমাত্র অবহিত না হয়। উদ্দ্যেশ্যঃ নির্ভুলভাবে অভিন্ন ফলাফল লাভ করে। অবশেষে Dfq `j বিশাল দূরত্বে (জেনেভা হতে লন্ডন) অবস্থান করে কোন প্রকার পূব  যোগাযোগ ব্যতিরেকে একই সঙ্গে GKB djvd‡j DcbxZ nq এবং CERN কর্তৃপক্ষ 2012 mv‡ji 4Vv  RyjvB, eyaevi এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববাসীকে এ মমে বিজ্ঞাপিত করে যে, ÷¨vÛvW© g‡W‡j m¦xK…Z 12Zg ÒwnMm-‡evmb bvgK eûj cÖZ¨vwkZ †gŠwjK KYviwUi mÜvb পাওয়া গেছে।


wbDwUª‡bv wK?

(بالإنجليزية
Neutrino)ÒwbDwUª‡bvÓ (Neutrino) n‡”Q ‰e`y¨wZK PvR©wenxb `~e©j I mwµq GK cÖKvi AwZ ¶y`ª cvigvbweK KYv| aviYv Kiv nq, GB ¶y`ª KYv ÔAïb¨Õ (Non-Zero) f‡ii  KYv| 2011 mv‡ji †m‡Þ¤¦i gv‡m mv‡Y©i M‡elKiv GB wbDwUª‡bv Avwe¯‹v‡ii †NvlYv K‡ib| weÁvbx‡`i `vext Avwe¯K…Z wbDwUª‡bv eZ©gvb cÖPwjZ mvaviY Av‡jvK KYv †_‡K `ª“Z †eM m¤úbœ| D‡j­L¨, weÁvbx  cvDwj Dcjw× K‡ib †h, fi‡eM, kw³, †KŠwYK fi‡eM BZ¨vw` wbZ¨Zv eRvq ivLvi Rb¨ B‡jKUª‡bi mv‡_ Av‡iKwU LyeB nvjKv, Avavbnxb Ges cÖvq A`„k¨ KYvi Dcw¯nwZ cÖ‡qvRb| cÖ‡qvRbxq GB KYvwUiB bvg †`qv nq ÒwbDwUª‡bvÓ| AvaywbK c`v_©weÁv‡bi Ab¨Zg ¸রুZ¡c~Y© Ask n‡jv Model (Av`k©) bv‡gi GKwU ZË¡| GB g‡Wj Abymv‡i †gŠwjK KYv¸‡jv cÖavbZt wZb cÖKvi h_vt †KvqvK©, †evmb I †jcUb| Gi g‡a¨ †jcUb `yB cÖKvi h_vt B‡jKUªb I wbDwUª‡bv| wbDwUª‡bvi aviYv cÖ_g weÁvbxiv Rvb‡Z cv‡ib  cigvYyi †eUv ¶‡qi we‡kœlY Ki‡Z wM‡q| wbDwUª‡bv I B‡jKUªb cÖK…wZ‡Z `yB fvB‡qi gZ| wZb ai‡Yi B‡jKUª‡bi g‡a¨ i‡q‡Q (1) B‡jKUªb B‡jKUªb (A_ev ïayB B‡jKUªb) (2) wgD B‡jKUªb (wgDqb) Ges (3) UvD B‡jKUªb (UvDqb) Ges Gi cÖwZwU B‡jKUª‡bi mv‡_ Av‡Q GKwU K‡i wbDwUª‡bv h_vt (1) B‡jKUªb wbDwUª‡bv, (2) wgD wbDwUª‡bv Ges (3) UvD wbDwUª‡bv |


wbDwUª‡bv Avwe¯‹v‡ii BwZK_v


ÔcÖ‡R± A‡civÕ bv‡gi GK ‰eÁvwbK cÖK‡íi Aax‡b BD‡ivcxq cvigvbweK M‡elYv †K›`ª mvov RvMv‡bv wbDwUª‡bv Avwe¯‹v‡ii c`‡¶c MªnY K‡i| wbDwUª‡bv Avwe¯‹v‡ii †¶‡Î M„nxZ GK cix¶vi cÖ_g av‡c myBRvij¨v‡Ûi wmb‡µv‡Uvb bv‡gi GKwU f~Mf© h‡š¿ †cÖvUb KYv ‰Zix K‡i Zv MªvdvB‡Ui Ici wb‡¶c Kiv nq| G‡Z †cÖvUb KYv¸wj †f‡O wKQy Ae©ZxKvjxb RwUj KYv ‰Zix nq, †h¸wj Aí mg‡qi g‡a¨B ¶q n‡q wgDqb Ges wgD wbDwUª‡bv ‰Zix K‡i| G KYv¸wj‡K ZLb †jvnvi Ici wb‡¶c Kiv nq| G‡Z wgDqb wbDwUª‡bv ev‡` Ab¨ me KYv cÖwZdwjZ ev †kvwlZ nq| wgDqb wbDwUª‡bv¸wj c„w_exi gvwU-cv_i †f` K‡i P‡j cÖvq 750 wK‡jvwgUvi `~‡i BZvwj‡Z †cŠuQvq| GB wbDwUª‡bv †jvnvI †f` K‡i Abvqv‡m Gcvi †_‡K Icv‡i Qy‡U †h‡Z cv‡i Av‡jvi MwZi PvB‡ZI †ekx MwZ‡Z| gRvi e¨vcvi n‡jv †h, fiwenxb A_©vr Aïb¨ f‡ii AwaKvix Av‡jvi KYvB mvaviYZt fic~Y© cvigvbweK KYvi PvB‡Z দ্রুZMvgx n‡q v‡K| wKš‘ Aïb¨ f‡ii AwaKvix A_©vr fihy³ wbDwUª‡bv hvi MwZ‡eM bvwK ïb¨ f‡ii (Massless)
 Av‡jv‡KI  Qvwo‡q †M‡Q| GLv‡bB ‰eÁvwbK RM‡Zi Pig I cig wem¥q| A‡civ cix¶‡Yi djvd‡j †`Lv hv‡”Q †h, wbDwUª‡bvi MwZ n‡jv Av‡jvi MwZi 1.000025 ¸Y (0.0025 kZvsk)  ‡ekx|


AvBb÷vB‡bi Av‡jvK ZË¡ ebvg wbDwUª‡bvt

AvR †_‡K  শতাধিক eQi Av‡M প্রখ্যাত জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী AvjevU© AvBb÷vB তাঁর Avবিস্কৃত weL¨vZ mgxKiY EMC2  (Theory of Special Relativity ev Ôwe‡kl Av‡cw¶K ZË¡Õ) এর আলোকে ঘোষণা করেছিলেন যে, ÒAv‡jvi †P‡q দ্রুZMwZi Avi wKQz †bBÓ| পক্ষান্তরে Center for European Research of Nuclears (CERN) Gi weÁvbxiv 2011 mv‡ji †m‡Þ¤ei gv‡m wek¦evmxi D‡Ï‡k¨ আনুষ্ঠানিকভাবে G g‡g© †NvlYv K‡i †h, ÒAv‡jvi MwZi †P‡q ÔwbDwUª‡bvÕi MwZ অন্ততঃ ২৫ ন্যানো সেকেন্ড ewkÓ | 

mwZ¨ mv‡Y©i M‡elYvjä wbDwUª‡bv AvBb÷vB‡bi theory of special relativity ZË¡‡K ûgwKi g‡a¨ †V‡j w`‡”Q, Ab¨ew`‡K wgivRybœex ((mvj­vj­vû AvÕjvBwn Iqvmvj­vg) Gi eyivK †hv‡M g°v kixd gmwR`yj nvivg †_‡K gmwR`yj AvK&mv Z_v n‡Z we‡kl wmuwo (wgivR) †hv‡M cÖ_g, wØZxq, Z…Zxq, PZz_© cÂg, lô I mßg AvKv‡ki †kl mxgvbv Ôwm`&ivZzj gyনতাnvÕ Z_v n‡Z দ্রুতMvgx idid †hv‡M 8 RvbœvZ, Av‡k© AvRxg ch©ন্ত †cŠuQvi ci GK iv‡Zi g‡a¨ cybivq c„w_ex‡Z †b‡g Avmvi Rb¨ cÖ‡qvRb eZ©gvb we`¨gvb mvaviY Av‡jvi MwZi PvB‡ZI দ্রুZZg MwZ mZ¡v-hv wbDwUª‡bvi gva¨‡g Avgiv Avkv Kwi, cweÎ Bm&iv, wgivRybœex (mvল্লাল্লাû AvÕjvBwn Iqvmvj­vg) cÖf„wZ `¦xb-ag© welqK NUbvejxi GKUv ‰eÁvwbK m`yËi cvIqv hv‡e Bb&kvAvল্লvnyj& Av'RxR| 

mv‡Y©i cÖ_g m„wóZvwË¡K M‡elYvi mdj Avwe¯‹vi wbDwUª‡bvt

1905 mvj| Rvg©vbxi RMwØL¨vZ weÁvbx AvjevU© AvBb÷vBb Zuvi HwZnvwmK I me‡P‡q D”Pgv‡bi †h ZË¡ (theory) ˆeÁvwbK RM‡Z DÌvcb K‡i ixwZgZ weÁvb I cÖhyw³MZ wec­­e mvab K‡iwQ‡jb †m ZË¡wU‡K ejv nq theory of special relativity ev we‡kl Av‡cw¶K ZË¡| GB Z‡Ë¡i g~j K_v ÒAv‡jvi †P‡q `ª“ZMwZi †Kvb wKQz G RM‡Z †bBÓ| G Z‡Ë¡i Ici wfwË K‡iB `uvwo‡q Av‡Q c`v_© weÁv‡bi Ab¨ me ZË¡| ZvB AvBb÷vB‡bi special relativity  Z‡Ë¡i †Kvb cÖKvi wec` wech©q NU‡j ˆewk¦K ¸i“Z¡c~Y© hZme ˆeÁvwbK ZË¡ a‡m co‡Z cv‡i- G AvksKvi g‡a¨B myBRvij¨v‡Ûi †R‡bfv kn‡ii Kv‡Q d«v‡Ýi mxgvন্তবZx© A‡j Aew¯’Z we‡k¦i me©e„nr weÁvb M‡elYv †K›`ª CERN KZ…©K †m‡Þ¤^i 2011 mv‡j †NvlYv Kiv nq ÒAv‡jvi †P‡qI দ্রুZMwZ‡Z P‡j wbDwUª‡bv KYvÓ| mv‡Y©i weÁvbxiv wZb eQi M‡elYvi ci GB Z_¨ cÖKvk K‡i| d‡j mv‡Y©i weÁvbx‡`i G Z_¨ ûgwKi g‡a¨ †d‡j †`q AvBb÷vB‡bi we‡kl Av‡cw¶K ZË¡  (theory of special relativity )  bvgK we‡k¦i me‡P‡q weL¨vZ mgxKiY E= MC 2  ZË¡‡K| wbDwUª‡bv Z‡Ë¡i g~j K_v gnvk~‡Y¨ Av‡jvi †P‡qI wbDwUª‡bv P‡j দ্রুZ MwZ‡Z| D‡j­­L¨, Av‡jv cÖK…Zc‡¶ cÖwZ †m‡K‡Û 1,86,282.397 gvBj MwZ‡Z P‡j| wbDwUª‡bv n‡jv GKwU ˆe`y¨wZK Avavb wbi‡c¶, ¶z`ª I k~‡b¨i KvQvKvwQ fihy³ †gŠwjK KYv| †bv‡ej weRqx weÁvbx fîM¨vbd Gd cvDwj (volfganf pawl) 1930 mv‡j wbDwUª‡bv KYv m¤ú‡K© aviYv †`b| 1934 mv‡j cÖ_gev‡ii gZ wbDwUª‡bvi Aw¯ZZ¡ m¤ú‡K© wbwðZ nIqvi ci GLb ch©š— GUv ïay weÁvbx‡`i AevK K‡i hv‡”Q| myBRvij¨v‡Ûi †R‡bfvq nvB GbvwR© wdwR· j¨ve CERN †_‡K 730 wKtwgt `~‡i BZvwji MÖvY mv‡mv ch©ন্ত f~-Mf©¯’ Uv‡b‡j GB KYv †cÖiY Kiv n‡j M‡elKiv †`‡Lb GB KYv myBRvij¨v‡Ûi †R‡bfv †_‡K BZvwji MÖvY mv‡mv †cŠu‡Q Av‡jvi PvB‡Z AwaK MwZ‡Z| GB †NvlYvi ci weÁvb RM‡Z †`Lv †`q eo ai‡Yi f~wgK¤ú| KviY? wbDwUª‡bv hw` Av‡jvi MwZi AwaK nq Zvn‡j (weÁvb RM‡Zi) Ggb ZË¡ (theory ) †f‡½ co‡Z cv‡i| †h Z‡Ë¡i Ici wfwË K‡i Av‡Q mycÖwZwôZ A‡bK wdwR‡·i Z_¨ I m~Îvw`| hv wbDwUª‡bv †f‡½ w`‡Z cv‡i|
স্ট্রিং থিওরীঃ স্ট্যান্ডার্ড মডেলের আশার আলো!

সত্তুরের দশকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সম্ভাবনাতত্ত্ব অনুযায়ী নতুন কিছু মৌলিক কণিকা আবিষ্কৃত হওয়ায় তত্ত্বটি আরও পাকাপোক্ত হয়। ১৯৭৭-এ বটম কোয়ার্ক১৯৯৫-এ টপ কোয়ার্ক ও ২০০০-এ টাউ নিউট্রিনো আবিষ্কৃত হয়। এদের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য বৈজ্ঞানিক আশাবাদের সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। যেমন– এ তত্ত্বে ডার্ক ম্যাটারের কোন স্থান রাখা হয়নিএ তত্ত্ব মাধ্যাকর্ষন বল ব্যাখ্যা করতে পারে না। এ সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্ব অপরিসীমতাই একে বলা হয় প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব (Theory of almost everything)। পদার্থবিজ্ঞানীদের মতেসবগুলো মৌলিক বল একত্রিত করে একটি সবকিছুর তত্ত্বও (Theory of everything) বের করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আশার আলো দেখাচ্ছে স্ট্রিং থিওরি।

 https://www.bigganbangla.com/স্ট্যান্ডার্ড-মডেল/

তথ্যসূত্রঃ

১. http://physics.info/standard/

২. http://h2g2.com/dna/h2g2/A666173



Comments

Popular posts from this blog

THE SCIENCE TECH REVIEW